Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

পুতিনের বাসভবনে ড্রোন হামলা, উদ্বেগ প্রকাশ মোদি ও ট্রাম্পের

রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত সমাধানের লক্ষ্যে সোমবার জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সেদিনই হামলা চলল রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বাসভবনে।

পুতিনের বাসভবনে ড্রোন হামলা, উদ্বেগ প্রকাশ মোদি ও ট্রাম্পের
  • ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:১২
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত সমাধানের লক্ষ্যে সোমবার জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সেদিনই হামলা চলল রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বাসভবনে। মস্কোর অভিযোগ, প্রেসিডেন্টের বাড়ি লক্ষ করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলাটি সফলভাবে প্রতিহত করেছে রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন ট্রাম্প। উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তবে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইউক্রেন। সেদেশের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির দাবি, এটি রাশিয়ার রাজনৈতিক প্রচারের অংশ মাত্র। 

Advertisement

রুশ বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের অভিযোগ, মোট ৯১টি ড্রোন দিয়ে হামলা চলে। সবকটিই আটকে দেওয়া হয়। ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে তুলনা করে তিনি সাফ জানিয়েছেন, এই হামলার উপযুক্ত জবাব দেবে রাশিয়া। ফলত বর্তমানে রুশ-ইউক্রেন শান্তিচুক্তি নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তাতে ছেদ পড়তে পারে। কারণ, রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, এই ঘটনার পর ক্রেমলিন নিজের অবস্থান বদলে করতে পারে।  বিষয়টি নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি জানান, ভারত বরাবরই যুদ্ধের পরিবর্তে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের পক্ষে। এই সংঘাত ইতিমধ্যেই মানবিক সংকট সৃষ্টি করেছে। উত্তেজনা আরও বাড়লে তার প্রভাব গোটা বিশ্বের উপর পড়তে পারে। উভয় দেশকেই সংযম দেখানোর এবং আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে এগোনোর আহ্বান জানিয়েছেন মোদি। অন্যদিকে, ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ব্যক্তিগতভাবে পুতিনের কাছ থেকে তিনি এই ঘটনার কথা জানতে পেরেছেন। বিষয়টা কোনওভাবে মেনে নেওয়া যায় না, এমনটাই দাবি তাঁর। ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানান, তিনি যুদ্ধ থামানোর পক্ষে। কিন্তু এই ধরনের ঘটনা উভয় পক্ষের মধ্যে অবিশ্বাস বাড়িয়ে দিতে পারে। আন্তর্জাতিক মহলেরও আশঙ্কা, যুদ্ধ নতুন মাত্রা নিতে পারে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ