ভাটার সময় ভেসেল চলাচল অব্যাহত রাখতে মুড়িগঙ্গায় নদীর তিনটি চ্যানেলে ড্রেজিং, জোরকদমে চলছে গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি
  • ৪ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আগামী বছরের গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি পুরোদমে শুরু হয়েছে। প্রতি বছর  দুটি বিষয় প্রশাসনের কাছে বড়ো চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। একটি হল, মড়িগঙ্গা নদীতে ড্রেজিং এবং অপরটি কপিলমুনি মন্দিরের সামনে ভেঙে যাওয়া সমুদ্র সৈকত পুনরুদ্ধার। আপাতত মুড়িগঙ্গায় ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। তবে এবার  ভাটার সময়ও ভেসেল চলাচল যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকে নজর দিতে চাইছে রাজ্যের  বিজেপি সরকার। তাই নদীতে তিনটি চ্যানেলে পলি তোলার কাজ হবে। জানা গিয়েছে, নদীর মাঝে যে বিদ্যুতের খুঁটিগুলি রয়েছে, তার পাশ দিয়ে যে চ্যানেল (ভেসেল যাওয়ার রুট) রয়েছে, সেখানে দুটি এবং লট এইট থেকে সোজা কচুবেড়িয়া পৌঁছানোর একটি চ্যানেলে ড্রেজিং হবে। সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা বলেন, ‘সুষ্ঠুভাবে যাতে ভাটার সময়ও ভেসেল চলাচল করতে পারে, তার জন্য তিনটি চ্যানেল ধরে ড্রেজিং করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’ প্রশাসন সূত্রে খবর, অন্যান্য বছর পলি তুলে একটি চ্যানেলকেই ভেসেল চলাচলের উপযুক্ত করে তোলা হত। বাকি অংশে সেভাবে কোনো কাজ হতো না। ফলে যখন নদীতে ভাটা চলত, তখন ভেসেল চলাচল বন্ধ রাখতে হতো। সেচদপ্তরের একটি সূত্র বলছে, বর্তমানে লট এইট থেকে যে রুট দিয়ে কচুবেড়িয়া যায় ভেসেলগুলি, তাতে ৪৫ থেকে ৫৫ মিনিট সময় লাগে। একটি রুট রয়েছে একেবারে সোজা। সেটা দিয়ে এখন খুব একটা যাতায়াত করে না জলযানগুলি। সেই রুটে পলি তোলা হলে আরও কম সময়ে এপার-ওপার করা যাবে। সরকার তাই তিনটি চ্যানেল তৈরি রাখছে।’ এর পাশাপাশি, কচুবেড়িয়া এবং লট এইটে একটি করে জেটিঘাট বাড়ানো হবে বলে  জানিয়েছেন মন্ত্রী। এতে বাড়তি ভিড় সামাল দেওয়া সম্ভব হবে। আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ড্রেজিং শেষ হবে বলে দাবি করেছেন মন্ত্রী।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement