Bartaman Logo
১৭ জুন, ২০২৬

ভারতীয় ‘টমাহক’ মিসাইলের সফল পরীক্ষা ডিআরডিও’র, আওতায় পাকিস্তান ও চীন

ভারতীয় ডিআরডিও সফলভাবে টমাহক মিসাইলের পরীক্ষা করেছে। এই মিসাইল পাকিস্তান ও চীনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিস্তারিত পড়ুন।

ভারতীয় ‘টমাহক’ মিসাইলের সফল পরীক্ষা ডিআরডিও’র, আওতায় পাকিস্তান ও চীন
  • ১৭ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ১৯৮৩ সালে প্রথমবার মার্কিন বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয় টমাহক ক্রুজ মিসাইল। নয়ের দশকের শুরু থেকে আমেরিকার প্রতিটি সংঘর্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি। এমনকি চলতি ইরান যুদ্ধেও ৪৯টি টমাহক মিসাইল ব্যবহার করেছে আমেরিকা। এবার একই ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র হাতে আসতে চলেছে ভারতেরও। সোমবার ওড়িশার চাঁদিপুর থেকে টমাহকের সমগোত্রীয় লং রেঞ্জ ল্যান্ড অ্যাটাক ক্রুজ মিসাইল সফল ভাবে পরীক্ষা করল ডিআরডিও। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এই মিসাইলের কোনো নাম নির্বাচন করা হয়নি।  

Advertisement

জানা গিয়েছে, এই লং রেঞ্জ ল্যান্ড অ্যাটাক ক্রুজ মিসাইলের পাল্লা এক হাজার কিলোমিটারের বেশি। স্বাভাবিকভাবেই এটি মোতায়েন করা হলে চীন ও পাকিস্তানের বড় অংশ ভারতের ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় চলে আসবে।  গতিবেগ শব্দের চেয়ে দ্রুত না হলেও কম উচ্চতায় ওড়ার কারনে এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিবিধি রাডারে ধরা পড়বে না। ৫০০ কেজি ওজনের ওয়ারহেড বহনে সক্ষম দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারতীয় বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হতে আরও ২ বছর সময় লাগবে বলে জানা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘নির্ভয়’ মিসাইলের উত্তরসূরি হতে চলেছে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি।
প্রসঙ্গত,  ১৯৯৮ সালে আফগানিস্তানের আল কায়েদার জঙ্গি শিবির থেকে বিস্ফোরণ না হওয়া একটি টমাহক মিসাইল পেয়েছিল পাকিস্তান। রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে তা থেকে ৯০০ কিলোমিটার রেঞ্জের ক্ষেপণাস্ত্র ‘বাবর’ বানিয়েছে ইসলামাবাদ। একাধিক দূরপাল্লার মিসাইল রয়েছে আরেক প্রতিবেশি চীনের কাছেও। এই পরিস্থিতিতে এই নতুন ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ