Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দুপুরে চিংড়ি-কাতলা, রাতে পোলাও-মাংসের সঙ্গে মিষ্টি

দুপুরে চিংড়ি-কাতলা, রাতে পোলাও-মাংসের সঙ্গে মিষ্টি
  • ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, ডানকুনি: সর্বশেষ লোকসভা নির্বাচনের ফল অনুযায়ী এরাজ্যে সিপিএমের ঝুলিতে সাংসদ সংখ্যা শূন্য। ভোটের হারও তলানিতে। তবে রাজ্য সম্মেলনকে কেন্দ্রে করে এই দলের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ পরিপূর্ণ। ডানকুনি কোল ইন্ডিয়া কমপ্লেক্সে শনিবার থেকে শুরু হয়েছে সিপিএমের ২৭তম রাজ্য সম্মেলন। সেখানে খাওয়া দাওয়া থেকে শুরু করে আতিশয্যের অন্ত নেই। সম্মেলনের প্রথম দিনের ব্রেকফাস্টে ‘হট কেক’ গুড়ের ভাপা সন্দেশ। সন্দেশ পেটে যেতেই না যেতেই স্বেচ্ছাসেবকদের গাড়ি ছুটল রিষড়ার এক বিখ্যাত মিষ্টির দোকানে। দুপুরের পাতে চিংড়ি-কাতলা কালিয়া। রাতে পোলাও-মুরগির কারি। মাঝে স্ন্যাক্সও আছে। চিকেন পকোড়া অথবা ভেজ পকোড়া।
Advertisement
সম্মেলনস্থলের চারপাশ সাজানো হয়েছে রঙিন ফ্লেক্সে। মাদুর দিয়ে তৈরি গেট। কুমোরটুলি থেকে এসেছে সুবল পালের তৈরি ফাইবারের বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও সীতারাম ইয়েচুরির আবক্ষ মূর্তি। সম্মেলন মঞ্চে রয়েছে বিশালাকার কার্ল মার্ক্স। ফেব্রুয়ারির শেষে ডানকুনিতে বেশ গরম। তাই সম্মেলন কক্ষকে ঠান্ডা রাখতে স্ট্যান্ড ফ্যানের সঙ্গে রাখা হয়েছে একাধিক কুলার। প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য চা-কফি তো রয়েছেই। সকাল থেকেই সম্মেলনস্থলে মাছ ভাজার গন্ধ। কেউ গন্ধ শুঁকে অনুমানের চেষ্টা করলেন, ‘কাতলাই মনে হচ্ছে’। কলকাতার নেতারা হুগলির নেতাদের পিঠ চাপড়ে বললেন, ‘আয়োজন ভালোই’। দুপুরের দিকে মাচা বাঁধা রান্নাঘরে বিরাট পাত্র থেকে ছেঁকে তোলা হচ্ছে ভাত। সূত্রের খবর, প্রতিদিন ৮০০ জনের রান্না হবে। প্রথম দিনের সকালে হাতে হাতে লাল প্যাকেট। তাতে রয়েছে সিদ্ধ ডিম, কলা, কেক, ক্রিম রোল আর বাদামি খামে মোড়া ভাপা সন্দেশ। প্রতিনিধিদের দেওয়া হচ্ছে সাদা ঝোলা ব্যাগ। যার মধ্যে খসড়া প্রতিবেদন, ব্যাজ, সচিত্র পরিচয়পত্র ছাড়াও রয়েছে তোয়ালে ও আরও একটি ব্যাগ। সূত্র বলছে, দুপুরের পাতে এদিন ছিল ভাত, পটাটো ফিঙ্গার, পটল চিংড়ি, কাতলা কালিয়া, চাটনি আর মিষ্টি। সন্ধ্যায় স্ন্যাক্সে ভেজ আর চিকেন পকোড়া। রাতে পোলাও, রুমালি রুটি, চিকেন কারি। ৭০ কিলো পোলাও রান্না হয়েছে। দ্বিতীয় দিন কী? তালিকা আসে সন্ধ্যায়। চন্দননগর থেকে রাঁধুনি এসেছে। শেষ পাতে, একেক দিন একেক রকমের মিষ্টি তো আছেই। 
সভাস্থলে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় বাস নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। ডানকুনি চত্বরের বেশ কয়েকটি হোটেল নেওয়া হয়েছে প্রতিনিধিদের থাকার জন্য। আতিশয্য দেখে সাইকেল থেকে দুই বালক জিজ্ঞাসা করে বসল, এখানে কী হচ্ছে? উত্তর দেওয়ার অত সময় নেই স্বেচ্ছাসেবকদের। সম্মেলন চলছে তো!
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ