সংবাদদাতা, রামপুরহাট: কালীপুজো ও দীপাবলির সময় নিষিদ্ধ শব্দবাজি ফাটানো রুখতে আগাম নজরদারিতে নেমেছিল পুলিশ। ঝাড়খণ্ড ও বিহারেই বেশি বাজি কারখানা রয়েছে। সেখান থেকে যাতে নিষিদ্ধ শব্দবাজি এই জেলায় ঢুকতে না পারে সেজন্য ঝাড়খণ্ড সীমানায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও কালীপুজোর রাতে নিষিদ্ধ শব্দবাজির দাপট দেখল রামপুরহাট। রাত যত বেড়েছে বাজির আওয়াজ ততই তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে। গ্রিন বাজি বিক্রিতে ভাটা পড়েছে। গ্রিন বাজি বিক্রেতাদের বক্তব্য, আশানুরূপ বাজি বিক্রি হয়নি। পুলিশ যদি সর্বত্র অবৈধ বাজি বিক্রিতে রাশ টানতে পারত তা হলে হয়তো ভালো বিক্রি হতো। তাঁদের অভিযোগ, রামপুরহাট পুরসভার মাঠে সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত গ্রিনবাজির দোকানে নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রি হয়েছে। পুলিশ ধরেছিল। জেল খাটার পর ফিরে এসে ফের শব্দবাজি বিক্রি করেছে। দুর্গাপুজোর সময় শব্দবাজির দাপট ছিল না বললেই চলে। কিছু গ্রামে শারদ উৎসবে শব্দবাজির ব্যবহারের অভিযোগ এলেও নলহাটি শহরাঞ্চলে সেভাবে দেখা যায়নি। পুলিশও দাবি করেছিল, দুর্গাপুজোয় অধিকাংশ মানুষ পরিবেশবান্ধব উৎসবের দিকে ঝুঁকেছিল। দুর্গাপুজোর মতোই কালীপুজোয় শব্দবাজির দাপট রুখতে চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল পুলিশ। বেআইনি পথে বাজি যেন বাজার পর্যন্ত পৌঁছতে না পারে তারজন্য কড়া নজরদারি ছিল। বাজি বিক্রি রুখতে জারি ছিল ধরপাকড়। তা সত্ত্বেও রামপুরহাট মহকুমাজুড়ে কালীপুজোর রাতে শব্দবাজির দাপট কমল না। বহু প্রচার, কড়াকড়ির পরও কালীপুজোর রাতে সেই একই ছবি দেখা গেল। বাতাসে বারুদের গন্ধ। রাত যত বেড়েছে ততই বেড়েছে শব্দবাজির তাণ্ডব। রামপুরহাট থেকে নলহাটি, ময়ূরেশ্বর থেকে মুরারই, সব জায়গায় শব্দবাজির প্রতিযোগিতা চলে। অথচ সর্বত্র রাস্তায় ছিল পুলিশি টহলদারি।



