Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দেওয়ালে লেখা সুইসাইড নোট, নাম পাঁচজনের

দেওয়ালে লেখা সুইসাইড নোট, নাম পাঁচজনের
  • ৫ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দেওয়ালেই ‘সুইসাইড নোট’ লিখে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন হালতুর দম্পতি। সেই ‘নোট’-এ লেখা রয়েছে মোট পাঁচ জনের নাম। পুলিস সূত্রে খবর, মামা-মামি ও মাসি ছাড়াও ঋণ প্রদানকারী সংস্থার দুই ব্যক্তির নামও রয়েছে ওই দেওয়ালে। দেহ উদ্ধারের পর মামা-মামি ও মাসিকে থানায় নিয়ে যায় কসবা থানার পুলিস। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর মামা প্রদীপ কুমার ঘোষাল ও মামি নীলিমা ঘোষালকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। আত্মহত্যায় প্ররোচনা, বিশ্বাসভঙ্গ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রর মতো ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। 
Advertisement
ঠিক কী কারণে মামা-মামির নাম লিখে গিয়েছিলেন সোমনাথ? হালতুর পূর্বপল্লিতে সরু গলির মধ্যে বাড়ি রায় পরিবারের। তাঁদের এক প্রতিবেশী বলেন, আমরা শুনেছি সোমনাথের বাবা জমি-জমা সংক্রান্ত একটি দলিল তৈরি করেছিলেন। সেখানে ওঁদের সম্পত্তি ভাগ করা ছিল। কিন্তু শোনা যায়, ওই সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে কোনও বাধা তৈরি হয়েছিল। সেই সম্পত্তি বিক্রি করতে পারলে হয়তো টাকা-পয়সার সংস্থান হতে পারত। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রথমে কসবা-হাজরা রুটে একটি অটো রিকশ ছিল সোমনাথের। তার মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে গড়িয়াহাট-রামলাল বাজার রুটে অপর একটি অটো নেন সোমনাথ। ঘটনাস্থলে সোমনাথের স্ত্রী সুমিত্রার মা বলেন, সোমবার সারাদিন কথা হয়নি। রবিবার নৈহাটির বড়মার মন্দিরে ওরা পুজো দিতে গিয়েছিল। সুমিত্রার বাবা বলেন, জমির জন্যই সমস্যা হয়েছিল। দিদি সুপর্ণা ভৌমিক অভিযোগ করেন, আমার বোন আর জামাইকে তিলে তিলে মারা হয়েছে। জমির জন্যই মারা হয়েছে। তিনি কসবা থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনা  অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামা ও মামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তবে এদিন সকালে সোমনাথের মামি সংবাদ মাধ্যমে বলেন, আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক নেই। অনেক লোক এসে ওঁকে হুমকি দিত। ফ্ল্যাট আর অটো কিনতে ধার হয়েছে। মামা প্রদীপ ঘোষালের অভিযোগ, আমার মা স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন, পেনশন পেতেন। সেই পেনশন আমার অবিবাহিত বোনের কাছ থেকে পুরোটাই নিয়ে নিত সোমনাথই। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ