শিশির ঘোষ: যুবভারতীতে ইস্ট বেঙ্গল বনাম বেঙ্গালুরু ম্যাচ শেষ। ফুটবলাররা ড্রেসিং-রুমে ফিরে গেলেও ডাগ-আউটে একা বসে অস্কার ব্রুজোঁ। ছবিটা দেখে বেশ কষ্টই হচ্ছিল। বোঝাই যাচ্ছে, হতাশা গ্রাস করেছে তাঁকে। সেটাই স্বাভাবিক। তবে ব্রুজোঁর হাত পা বাঁধা। দিয়ামানতাকোসের মতো দায়িত্বজ্ঞানহীন ফুটবলার যে কোনও দলকে ডোবানোর জন্য যথেষ্ট। গ্রিসের ফুটবলারের লাল কার্ড গোটা দলের ছন্দ নষ্ট করেছে। ইস্ট বেঙ্গলের সুপার সিক্সে পৌঁছনোর স্বপ্ন ওখানেই ইতি। শুনেছি, দিয়ামানতাকোস লাল-হলুদের হায়েস্ট পেইড ফুটবলার। আট আনার পুঁইশাক, তার আবার ক্যাশমেমো। অবিলম্বে আর্থিক জরিমানা করুক ক্লাব। । গোটা আইএসএলে মাত্র চারটে গোল। ফর্মের ধারেকাছে নেই। বোঝা উচিত, অহেতুক হাত ছোড়ার জন্য টাকা দেওয়া হয় না। দিয়ামানতাকোসের জায়গায় জেসিন টিকে, ডেভিডদের সুযোগ দিন অস্কার। তাতেই দলের মঙ্গল। এখন দলের অনুশীলন হয় যুবভারতীতে। ফুটবলারদের নিরাপত্তার জন্য বরাদ্দ বাউন্সার। না হলে ওর মতো ফুটবলারকে শবক শেখানো ইস্ট বেঙ্গল সমর্থকদের বাঁ হাতের খেল। অতীতে ডগলাস, ইয়াকুবু, সুলে মুসা, র্যান্টি মার্টিন্সের মতো বিদেশি লাল-হলুদ জার্সি গায়ে চাপিয়েছে। দলের প্রতি একাত্মতায় কয়েক মাইল এগিয়ে তারা।
Advertisement
আইএসএলে এবারও সেরা ছয়ে পৌঁছতে পারল না ইস্ট বেঙ্গল। ব্যর্থতার ময়নাতদন্ত চলবেই। শুনলাম কলকাতা ও জেলার বিভিন্ন জায়গায় রেফারির কুশপুতুল দাহ করেছেন সমর্থকরা। তাঁদের হতাশা স্বাভাবিক। শুধু রেফারির ভুল সিদ্ধান্তে বেশ কিছু পয়েন্ট নষ্ট হয়েছে এটাও সত্যি। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনও তথৈবচ। সবাই নির্বিকার। কিন্তু ইস্ট বেঙ্গলের এই পারফরম্যান্সের জন্য শুধু রেফারিকে দায়ী করা ভুল। বরং শক্তিশালী দলগঠন প্রয়োজন। বৃদ্ধ ক্লেটন, পেনশন কোটার হেক্টর, শ্লথ সাউল ক্রেসপোদের নিয়ে বেশি আশা না করাই উচিত। কোচের পরামর্শে নতুন বিদেশি ছাড়াও সাইড ব্যাক দরকার। প্রয়োজনে ট্রান্সফার ফি দিয়েও ফুটবলার নেওয়া হোক। না হলে ব্যর্থতার একঘেয়ে চিত্রনাট্য চলবেই।
আরেকটা কথা না বললেই নয়। দলের এই ব্যর্থতার দায় নিতে হবে লগ্নিকারী সংস্থাকেও। মোহন বাগানের দিকে তাকিয়ে দেখুন তারা। দল গঠনে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য নেই। আর ইস্ট বেঙ্গল? চশমা আঁটা এক ফুটবলবোদ্ধার বুদ্ধিতে চলে ভুলভাল বিদেশি নিয়েই চলেছে। আগামী মরশুমে বেশি অর্থ বিনিয়োগ করে লাল-হলুদ ব্রিগেডকে শক্তিশালী করার গুরুদায়িত্ব ইমামিরই। না হলে দুই প্রধানের মধ্যে পার্থক্য আরও বাড়বে।
আরেকটা কথা না বললেই নয়। দলের এই ব্যর্থতার দায় নিতে হবে লগ্নিকারী সংস্থাকেও। মোহন বাগানের দিকে তাকিয়ে দেখুন তারা। দল গঠনে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য নেই। আর ইস্ট বেঙ্গল? চশমা আঁটা এক ফুটবলবোদ্ধার বুদ্ধিতে চলে ভুলভাল বিদেশি নিয়েই চলেছে। আগামী মরশুমে বেশি অর্থ বিনিয়োগ করে লাল-হলুদ ব্রিগেডকে শক্তিশালী করার গুরুদায়িত্ব ইমামিরই। না হলে দুই প্রধানের মধ্যে পার্থক্য আরও বাড়বে।



