নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: প্রায় এক বছর ধরে তৃণমূলের দমদম বারাকপুর সাংগঠনিক জেলায় কোনও সভাপতি নেই। বেশিরভাগ সময় তালা বন্ধ হয়ে পড়ে থাকে টিটাগড়ে তৃণমূলের জেলা অফিস। ফলে কোনও সমস্যা নিয়ে দলের কর্মীদের জেলা অফিসের পরিবর্তে ছুটতে হয় নেতাদের বাড়িতে। এই নিয়ে ক্ষুব্ধ দলেরই নিচুতলার কর্মীরা। তাঁরা চান, দ্রুত নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা করা হোক।
Advertisement
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কমিটি ভেঙে চারটি সাংগঠনিক জেলায় ভাগ করা হয়। তার মধ্যে একটি দমদম-বারাকপুর সাংগঠনিক জেলা। এর প্রথম সভাপতি হন তৎকালীন নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিক। পরবর্তীতে তিনি মন্ত্রী হওয়ার পর সভাপতি হন তৎকালীন বরানগরের বিধায়ক (বর্তমানে বিজেপি নেতা) তাপস রায়। নতুন সাংগঠনিক জেলা তৈরি হওয়ার পর টিটাগড় টাটা গেটের কাছে নতুন জেলা অফিসও করা হয়। যেখানে রোজ নিয়ম করে দলের সভাপতি সহ নেতারা বসতেন। দলের কর্মী থেকে সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগের কথা শুনে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেন। কিন্তু সেসব এখন অতীত। আচমকাই গত বছর লোকসভা ভোটের ঠিক মুখে তৃণমূলের সভাপতি তাপস রায় বিজেপিতে যোগ দেন। তারপর থেকেই ফাঁকা তৃণমূলের দমদম-বারাকপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতির পদ। শুধু তাই নয়, আজও জেলা কমিটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি হয়নি। পার্টি অফিসের রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত করাটাও জরুরি। কিন্তু অবস্থা যে কে সেই। অভিভাবকহীন তৃণমূলের জেলা অফিস।
জেলা অফিসে আগে মাঝেমধ্যে শাখা সংগঠনগুলির দু’একটা মিটিং হতো। সেগুলিও এখন ঠিক মতো হয় না। তবে এর প্রভাব কিন্তু ভোটে পড়েনি। সভাপতি হীন অবস্থাতেও বারাকপুর ও দমদম লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে তৃণমূল। বারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক বলেন, সভাপতি না থাকলেও আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। সমন্বয়ের অভাবও নেই। ভালোভাবেই দল চলছে। কিন্তু বারাকপুর এলাকার দলের নিচুতলার কর্মী ও কাউন্সিলাররা চান, আগের মতো পার্টি অফিস জমিয়ে চলুক। দ্রুত ঘোষণা করা হোক সভাপতির নাম।
জেলা অফিসে আগে মাঝেমধ্যে শাখা সংগঠনগুলির দু’একটা মিটিং হতো। সেগুলিও এখন ঠিক মতো হয় না। তবে এর প্রভাব কিন্তু ভোটে পড়েনি। সভাপতি হীন অবস্থাতেও বারাকপুর ও দমদম লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে তৃণমূল। বারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক বলেন, সভাপতি না থাকলেও আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। সমন্বয়ের অভাবও নেই। ভালোভাবেই দল চলছে। কিন্তু বারাকপুর এলাকার দলের নিচুতলার কর্মী ও কাউন্সিলাররা চান, আগের মতো পার্টি অফিস জমিয়ে চলুক। দ্রুত ঘোষণা করা হোক সভাপতির নাম।



