নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: দিনকয়েক আগে দমদম থানার নলতা স্কুলবাড়ি রোডে প্রবীণ দম্পতিকে ভয় দেখিয়ে লুটের ঘটনা ঘটেছিল। যা নিয়ে আলোড়ন পড়ে যায়। সেই ঘটনার পাঁচদিনের মাথায় শনিবার দু’জনকে গ্রেপ্তার করল দমদম থানা। তবে মূল অভিযুক্তরা এখনও ধরা পড়েনি। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতরা হল, মণি মোল্লা এবং বিবেক রায়। ১৬ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে ওই লুটের ঘটনায় ছয় থেকে সাতজন দুষ্কৃতী ছিল। সিসি ক্যামেরার নজরদারি এড়াতে তারা হেলমেট পরেছিল। দুই ধৃত তাদের মোটরবাইক এবং স্কুটি দিয়েছিল। পুলিস সূত্রে খবর, সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গিয়েছে লুটের ঘটনায় একটি স্কুটার এবং একটি মোটরবাইক ব্যবহার করা হয়েছিল। দু’টি গাড়ির নম্বরের সূত্র ধরে সেগুলির হদিস পায় পুলিস। এরপর এদিন গাড়ির মালিকদের গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে দুষ্কৃতী দলের হদিস পেতে চাইছে পুলিস। কীসের বিনিময়ে কাদের তারা গাড়ি দিয়েছিল তা নিয়ে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। শনিবার পর্যন্ত লুটের ঘটনায় জড়িতদের খোঁজ মেলেনি।
এই ঘটনার পর দমদমের প্রবীণ বাসিন্দাদের নিরাপত্তা ও নজরদারি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়, নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পুলিসের টহলদারি চলছে। তবে এরই মধ্যে ফের দমদম থানা এলাকায় তিনটি বাড়িতে চুরি হয়েছে। এরপর ফের দমদমের নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুরসভা ও পুলিসের দাবি, আগে থেকেই নজরদারি ছিল তা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, পুলিসের নজরদারির পরও কীভাবে এমন ঘটনা বারবার ঘটছে।



