Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দমদম জেলের বন্দির থেকেও তোলা আদায়!

দমদম জেলের বন্দির থেকেও তোলা আদায়!
  • ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, বনগাঁ: জেল হেফাজতে থাকা বন্দির থেকেও তোলা আদায়! তদন্তে নেমে তোলা পুলিস ওই ‘তোলাবাজ’কে গ্রেপ্তার করেছে। নাম নীরেন্দ্রনাথ শিউলি। বনগাঁ বিডিও অফিসের চতুর্থ শ্রেণির কর্মী সঞ্জয় বোসকে আবাস তালিকায় দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছিল গোপালনগর থানার পুলিস। বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত। বনগাঁ আদালত ওই সরকারি কর্মীকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল। শারীরিক অসুস্থতার কারণে সঞ্জয়কে দমদম সেন্ট্রাল সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। অভিযোগ, সেখানে টাকা চেয়ে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়। বলা হয়, নীরেন্দ্রনাথের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে। সেইমতো সঞ্জয়ের এক আত্মীয় ওই অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করেন। এরপর সঞ্জয়ের আইনজীবীর অভিযোগের ভিত্তিতে বনগাঁ সাইবার ক্রাইম থানার পুলিস নীরেন্দ্রনাথ শিউলিকে গ্রেপ্তার করে। রবিবার তাকে বনগাঁ আদালতে তোলা হলে বিচারক পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। 
Advertisement
কে এই নীরেন্দ্রনাথ? তার সঙ্গে সংশোধনাগারে বন্দিদের যোগ কীভাবে? পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগুইআটির বাসিন্দা নীরেন্দ্রনাথ শিউলির এক পরিচিত দমদম সংশোধনাগারে এক বন্দি। অনুমান, সঞ্জয়কে টাকা চেয়ে যারা হুমকি দিয়েছিল, তাদের সঙ্গে ওই বন্দির যোগ আছে। সেই সূত্রে নীরেন্দ্রনাথের অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল টাকা। নীরেন্দ্রনাথ সেই টাকা নির্দেশ মতো বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দিত। বিনিময়ে পেত কমিশন। সূত্রের খবর, দমদম সংশোধনাগারে একটি অসাধু চক্র সক্রিয়। জেলের ভিতরে বসেই নানা অসামাজিক কাজে তারা লিপ্ত হয়। মূলত জেলের আমদানি ওয়ার্ডের সদস্যদের বেছে নেয় অভিযুক্তরা। আমদানি ওয়ার্ডে নতুন বন্দিদের এনে রাখা হয়। সেই সূত্রে সঞ্জয়কে প্রথমে আমদানি ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল। চক্রের সদস্যদের কাছে সব বন্দির বায়োডেটা পৌঁছে যেত বলে জানা গিয়েছে। আইনজীবী দীপাঞ্জয় দত্ত বলেন, ‘আমার মক্কেল শারীরিকভাবে অসুস্থ। অভিযুক্তরা হয়তো ভেবেছিল, অসুস্থ ব্যক্তিকে চাপ দিলে পরিবার সহজেই টাকা দিয়ে দেবে। সেকারণেই তাঁর কাছে টাকা দাবি করেছিল তারা।’ -নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ