Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জেলায় পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে বিডিও’দের নিয়ে বৈঠকে ডিএম, মন্ত্রী

গরম পড়তেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে পানীয় জলের সংকট। অনেক নলকূপ বিকল।

জেলায় পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে বিডিও’দের নিয়ে বৈঠকে ডিএম, মন্ত্রী
  • ৫ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, পতিরাম: গরম পড়তেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে পানীয় জলের সংকট। অনেক নলকূপ বিকল। অনেক জায়গায় টিউবওয়েল কাজ করছে না। এমনকী বিদ্যুৎচালিত পাম্পও কাজ করছে না। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সমস্ত ব্লকেই কমবেশি পানীয় জলের সংকট দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় জলের সংকট মেটাতে বৈঠক ডাকল জেলা প্রশাসন। জেলাশাসকের সঙ্গে এদিনের বৈঠকে ছিলেন মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র সহ জেলার সমস্ত ব্লকের আধিকারিকরা। 

Advertisement

যে জায়গায় পানীয় জলের সংকট দেখা দিয়েছে, সেখানে আপাতত ট্যাঙ্ক পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সাব মার্সিবল বসিয়ে জল সংকট দূর করার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী। 
এদিকে জেলাজুড়ে জল জীবন মিশন প্রকল্পে কাজ শুরু হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে জেলার  ৫৩ শতাংশ  বাড়িতে জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। বাকি সংযোগ ২০২৫ সালের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা পিএইচকে বেঁধে দিয়েছে প্রশাসন। 
জেলাজুড়ে ইতিমধ্যে ১ লক্ষ ৮১ হাজার বাড়িতে জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে জেলাজুড়ে ৩ লক্ষ ৩৮ হাজার বাড়িতে এই পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া হবে। পানীয় জলের অভাবে মেটাতে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র। বলেছেন, জেলাজুড়ে পিএইচই জলজীবন মিশন প্রকল্পে জল দিচ্ছে। কোন কোন এলাকায় জল দিয়েছে এবং কোন কোন এলাকায় জল এখন পৌঁছায়নি, তা নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করা হয়েছে। 
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, গত চারবছর ধরে মাত্র ৫০ শতাংশ বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। হাতে রয়েছে মাত্র প্রায় ৭ মাস। ফলে কীভাবে আরও ৫০ শতাংশ বাড়িতে সংযোগ দেওয়া যায়, তা নিয়ে এদিনের বৈঠক। মন্ত্রী বলেন, কাজ অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। অনেক জায়গায় রিজার্ভার বসানো আছে। পাইপলাইনও রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের সংযোগের কাজ হয়ে যাবে। 
জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, যে সমস্ত জায়গায় জল প্রকল্পের কাজ হচ্ছে, তার পাশেই জলের স্ট্যান্ড পোস্ট তৈরি করা হবে। যাতে সেখান থেকে গ্রামবাসীরা জল নিতে পারেন। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় সাব মার্সিবল বসানো হবে। গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর মিলিয়ে কে, কোথায়, কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়ে বৈঠক হয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ