নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূলের শাখা সংগঠনগুলি উপর কড়া নজর রাখছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। স্বয়ং তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নজরদারি চালাচ্ছেন শাখা সংগঠনগুলির কাজকর্ম নিয়ে। তৃণমূল সূত্রে খবর সেইমতোই, আসন্ন রদবদলের তালিকায় শাখা সংগঠনগুলির একাধিক নেতৃত্ব বদল হতে পারে।
Advertisement
বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক একবছর আগে, এখন থেকেই তৃণমূল দলে একটা ঝাঁকুনি দেওয়ার পর্যায় শুরু হয়েছে। যে বা যাঁরা কাজ করছেন না, সংগঠন বিস্তারে সক্রিয় ভূমিকা নেই, তাঁদের পদ থেকে বদলের প্রবল সম্ভাবনা। এছাড়া যে সমস্ত নেতার বিরুদ্ধে ইদানীং কিছু অভিযোগ উঠছে কিংবা ওই নেতাদের আচরণে দল অস্বস্তির মুখে পড়েছে, তাঁদের কোনও অবস্থায় রেয়াত করা হচ্ছে না। তিনি যত বড় নেতাই হোন, কিংবা যে নেতারই ছত্রছায়ায় থাকুন না কেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তৃণমূলের তরফে কড়া পদক্ষেপ নিতে পিছপা হচ্ছে না দল। সাম্প্রতিককালে শান্তনু সেন, আরাবুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, নারায়ণ গোস্বামী সহ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়ে তৃণমূল বুঝিয়ে দিয়েছে, দল আগে ব্যক্তি পরে।
তৃণমূলের এই সাংগঠনিক পর্যালোচনার দলিলে শাখা সংগঠনগুলিও পড়েছে। আর জি কর ঘটনার সময় থেকে তৃণমূলের ডাক্তার সেলকে পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ। সেই সময়ে বিরোধীরা যখন প্রতিদিন রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে আঙুল তুলেছে, তখন তার জবাব দেওয়ার জন্য খুঁজে পাওয়া যায়নি তৃণমূলের ডাক্তার সেলের নেতাদের। ওই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ক্ষুব্ধ হয়েছেন, তা ধরা পড়েছে প্রগ্রেসিভ হেলথ অ্যাসোসিয়েশন তৈরির মধ্যে দিয়ে। এবার থেকে বিরোধীরা কোনও অভিযোগ আনলে ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে এই গঠিত সংগঠনই তার কড়া জবাব দেবে।
তৃণমূলের বাকি শাখা সংগঠনগুলির মধ্যে কয়েকটির কাজ আশাব্যঞ্জক নয় বলে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে। তৃণমূল ভবনের দায়িত্বপ্রাপ্ত একাধিক নেতা বলেছেন, তৃণমূল মহিলা শাখার পারফরম্যান্স ভালো। মমতার সরকার নারী সুরক্ষা, উন্নয়ন, অগ্রগতির জন্য যে সমস্ত পদক্ষেপ করেছে তা ঢালাওভাবে প্রচার বছরভর চালিয়ে যাচ্ছে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের নেতৃত্বাধীন মহিলা ব্রিগেড। মণিপুর কিংবা অন্য রাজ্যে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে তারা পথে নামে। মহিলা সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তারা রাজ্যজুড়ে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি ভালো কাজ করছে বলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের অভিমত। ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন এই সংগঠন পাহাড়ে তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছে। বিশেষ করে চা বাগান অধ্যুষিত এলাকায়।
তৃণমূল ভবন সূত্রের খবর, দলের ছাত্র, যুব শাখার দীর্ঘদিন কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি নেই। আর জি কর ঘটনার সময়েও তেমন সক্রিয় ছিলেন না ছাত্র ও যুব শাখার নেতানেত্রীরা। রাজ্য সরকারের সাফল্য তুলে ধরার ক্ষেত্রেও তাদের কোনও সদর্থক প্রয়াস লক্ষ করেনি নেতৃত্ব।
তৃণমূলের এসসি, এসটি, ওবিসি সেল এবং কৃষক-খেত মজুর শাখা সংগঠনের পারফরম্যান্সকেও ‘ফুল মার্কস’ দিচ্ছেন না রাজ্য স্তরের শীর্ষ নেতারা। তাঁদের বক্তব্য, দলের একাধিক শাখা সংগঠন ও সেলের সদর্থক কোনও ভূমিকা সারা বছর থাকে না। যখন দলে ঝাড়াই-বাছাইয়ের প্রস্তুতি শুরু হয় শুধু তখনই কয়েকজন নেতা শীতঘুম ভেঙে ওঠেন। কিন্তু দলের হয়ে সারাবছর ঝাঁপাতে দেখা যায় না তাঁদের। এই নেতাদের উপর দলনেত্রী নজর রাখছেন। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপই নেবেন তিনি।
তৃণমূলের এই সাংগঠনিক পর্যালোচনার দলিলে শাখা সংগঠনগুলিও পড়েছে। আর জি কর ঘটনার সময় থেকে তৃণমূলের ডাক্তার সেলকে পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ। সেই সময়ে বিরোধীরা যখন প্রতিদিন রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে আঙুল তুলেছে, তখন তার জবাব দেওয়ার জন্য খুঁজে পাওয়া যায়নি তৃণমূলের ডাক্তার সেলের নেতাদের। ওই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ক্ষুব্ধ হয়েছেন, তা ধরা পড়েছে প্রগ্রেসিভ হেলথ অ্যাসোসিয়েশন তৈরির মধ্যে দিয়ে। এবার থেকে বিরোধীরা কোনও অভিযোগ আনলে ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে এই গঠিত সংগঠনই তার কড়া জবাব দেবে।
তৃণমূলের বাকি শাখা সংগঠনগুলির মধ্যে কয়েকটির কাজ আশাব্যঞ্জক নয় বলে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে। তৃণমূল ভবনের দায়িত্বপ্রাপ্ত একাধিক নেতা বলেছেন, তৃণমূল মহিলা শাখার পারফরম্যান্স ভালো। মমতার সরকার নারী সুরক্ষা, উন্নয়ন, অগ্রগতির জন্য যে সমস্ত পদক্ষেপ করেছে তা ঢালাওভাবে প্রচার বছরভর চালিয়ে যাচ্ছে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের নেতৃত্বাধীন মহিলা ব্রিগেড। মণিপুর কিংবা অন্য রাজ্যে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে তারা পথে নামে। মহিলা সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তারা রাজ্যজুড়ে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি ভালো কাজ করছে বলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের অভিমত। ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন এই সংগঠন পাহাড়ে তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছে। বিশেষ করে চা বাগান অধ্যুষিত এলাকায়।
তৃণমূল ভবন সূত্রের খবর, দলের ছাত্র, যুব শাখার দীর্ঘদিন কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি নেই। আর জি কর ঘটনার সময়েও তেমন সক্রিয় ছিলেন না ছাত্র ও যুব শাখার নেতানেত্রীরা। রাজ্য সরকারের সাফল্য তুলে ধরার ক্ষেত্রেও তাদের কোনও সদর্থক প্রয়াস লক্ষ করেনি নেতৃত্ব।
তৃণমূলের এসসি, এসটি, ওবিসি সেল এবং কৃষক-খেত মজুর শাখা সংগঠনের পারফরম্যান্সকেও ‘ফুল মার্কস’ দিচ্ছেন না রাজ্য স্তরের শীর্ষ নেতারা। তাঁদের বক্তব্য, দলের একাধিক শাখা সংগঠন ও সেলের সদর্থক কোনও ভূমিকা সারা বছর থাকে না। যখন দলে ঝাড়াই-বাছাইয়ের প্রস্তুতি শুরু হয় শুধু তখনই কয়েকজন নেতা শীতঘুম ভেঙে ওঠেন। কিন্তু দলের হয়ে সারাবছর ঝাঁপাতে দেখা যায় না তাঁদের। এই নেতাদের উপর দলনেত্রী নজর রাখছেন। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপই নেবেন তিনি।



