নয়াদিল্লি: এ যেন মহারাষ্ট্রের পুনরাবৃত্তি। শপথের দিন ঠিক। আয়োজনও চূড়ান্ত। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তার কোনও হদিশ নেই। ভোটের ফল প্রকাশের প্রায় দু’সপ্তাহ পরেও মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঠিক করে উঠতে পারল না বিজেপি। অথচ বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড় ৪টার সময় শপথ সেটা ঠিক হয়ে গিয়েছে। রামলীলা ময়দানে হবে শপথ অনুষ্ঠান।
Advertisement
২৭ বছর পরে দিল্লির ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। ৭০ আসনের বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কের সংখ্যা ৪৮। এমন মারকাটারি ফলের পরেও মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পদ্ম পার্টির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে। যদিও শপথ অনুষ্ঠানে আয়োজনের কোনও খামতি রাখতে চাইছে না গেরুয়া শিবির। মেগা ইভেন্টকে জমকালো করতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিজেপি ও জোটসঙ্গী শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের। থাকবেন দু’শোরও বেশি প্রাক্তন ও বর্তমান বিজেপি সাংসদ। এছাড়া প্রতিটি রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? মন্ত্রিসভাতেই বা কে কে থাকছেন?
সূত্রের খবর, আগামী কাল, বুধবার বিজেপি পরিষদীয় দলের বৈঠক। সেখানেই নতুন নেতা বেছে নেওয়া হবে। তার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈঠক করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও দলের সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গে। সেখানেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে কার হাতে আগামী দিনে দিল্লির শাসনভার ছেড়ে দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে ১৫ জনের নাম নিয়ে আলোচনা হবে। তালিকায় রয়েছেন আপ প্রধান কেজরিওয়ালকে পরাজিত করা পরবেশ সিং ভার্মা, প্রয়াত সুষমা স্বরাজের কন্যা তথা প্রথমবারের সাংসদ বাঁশুরি স্বরাজ। এছাড়াও নাম উঠে আসছে দলের ব্রাহ্মণ মুখ সতীশ উপাধ্যায়, প্রাক্তন মেয়র রেখা গুপ্তা, দিল্লির নেতা বীরেন্দ্র সচদেবের। তালিকায় থাকা ১৫ জনের মধ্য থেকেই স্পিকার ও মন্ত্রীদের নাম ঠিক করা হবে। সূত্রের খবর মন্ত্রিসভায় থাকবেন ন’জন।
যদিও মুখ্যমন্ত্রী কে নিয়ে বিজেপির এই টালবাহানায় খোঁচা দিতে ছাড়েনি আপ। দলের নেত্রী আতিশী বলেছেন, ‘বোঝাই যাচ্ছে বিজেপির কোনও মুখ্যমন্ত্রী মুখ নেই। সবাই ভেবেছিল, বিজেপি দিল্লির উন্নয়নের কাজ শুরু করে দেবে। কিন্তু তারা মুখ্যমন্ত্রীই ঠিক করে উঠতে পারল না।’ তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদি আসলে দলের ৪৮ বিধায়কের কাউকেই ভরসা করতে পারছেন না। যদি সরকার চালানোর মতো কোনও নেতাই তাঁদের দলে না থাকে, তবে তাঁরা জনগণের কাজ করবে কীভাবে?
সূত্রের খবর, আগামী কাল, বুধবার বিজেপি পরিষদীয় দলের বৈঠক। সেখানেই নতুন নেতা বেছে নেওয়া হবে। তার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈঠক করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও দলের সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গে। সেখানেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে কার হাতে আগামী দিনে দিল্লির শাসনভার ছেড়ে দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে ১৫ জনের নাম নিয়ে আলোচনা হবে। তালিকায় রয়েছেন আপ প্রধান কেজরিওয়ালকে পরাজিত করা পরবেশ সিং ভার্মা, প্রয়াত সুষমা স্বরাজের কন্যা তথা প্রথমবারের সাংসদ বাঁশুরি স্বরাজ। এছাড়াও নাম উঠে আসছে দলের ব্রাহ্মণ মুখ সতীশ উপাধ্যায়, প্রাক্তন মেয়র রেখা গুপ্তা, দিল্লির নেতা বীরেন্দ্র সচদেবের। তালিকায় থাকা ১৫ জনের মধ্য থেকেই স্পিকার ও মন্ত্রীদের নাম ঠিক করা হবে। সূত্রের খবর মন্ত্রিসভায় থাকবেন ন’জন।
যদিও মুখ্যমন্ত্রী কে নিয়ে বিজেপির এই টালবাহানায় খোঁচা দিতে ছাড়েনি আপ। দলের নেত্রী আতিশী বলেছেন, ‘বোঝাই যাচ্ছে বিজেপির কোনও মুখ্যমন্ত্রী মুখ নেই। সবাই ভেবেছিল, বিজেপি দিল্লির উন্নয়নের কাজ শুরু করে দেবে। কিন্তু তারা মুখ্যমন্ত্রীই ঠিক করে উঠতে পারল না।’ তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদি আসলে দলের ৪৮ বিধায়কের কাউকেই ভরসা করতে পারছেন না। যদি সরকার চালানোর মতো কোনও নেতাই তাঁদের দলে না থাকে, তবে তাঁরা জনগণের কাজ করবে কীভাবে?



