নয়াদিল্লি, ৮ ফেব্রুয়ারি: দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে আম আদমি পার্টির। রাজধানীর মসনদে বসছে বিজেপি। দু’বার টানা জয়ের পর অত্যন্ত খারাপ ভাবেই হার মানতে হচ্ছে ঝাড়ু শিবিরকে। আপ-এর এহেন পরাজয়ের দিনে সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দিকেই আঙুল তুললেন আন্না হাজারে।
Advertisement
একসময় এই আন্না হাজারেই ছিলেন কেজরিওয়ালের ‘রাজনৈতিক গুরু’। কিন্তু কথাতেই রয়েছে, রাজনীতিতে কেউ কারও চিরশত্রু বা চিরমিত্র থাকে না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দূরত্ব এসেছে কেজরি ও আন্নার মধ্যেও। যা গত কয়েক বছরে প্রকট হয়েছে। শিষ্যের এই হারের দিনে তাঁর ঘাড়েই দোষ চাপালেন গুরু।
এদিন সাংবাদিকদের আন্না হাজারে বলেন, ‘আমি আগে থেকেই বলে আসছি নির্বাচনে লড়তে হলে প্রার্থীর চরিত্র নিষ্কলঙ্ক থাকা জরুরি, ভাবনা সৎ ও স্বচ্ছ থাকতে হয়। তবেই মানুষ প্রার্থীকে বিশ্বাস করতে পারেন। কিন্তু আপ সেটা করেনি। কেজরিওয়ালও কথা শোনেননি।’ কেজরির প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে আন্না হাজারে বলেন, ‘ও (কেজরিওয়াল) আমার কথা শোনেনি। মদে মন দিল...কেন এই ইস্যুটা উঠে এল? ও অর্থক্ষমতায় বুঁদ হয়ে গিয়েছিল।’
প্রসঙ্গত, দিল্লি নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে আপ-এর। আজ, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টে পর্যন্ত ৪০টি আসন জিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে গিয়েছে বিজেপি। এছাড়াও, তারা এগিয়ে রয়েছে ৮টি সিটে। অন্যদিকে, মাত্র মাত্র ১৭টি আসন দখল করতে পেরেছে আপ। এছাড়াও ৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে তারা। ফলে আপ-এর তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি আসনে জিততে চলেছে বিজেপি। যা মনোবল ভাঙছে আপ কর্মী-সমর্থকদের। অন্যদিকে প্রেস্টিজ ফাইটের লড়াইয়ে জিতে চাঙ্গা হচ্ছে গেরুয়া শিবির।
এদিন সাংবাদিকদের আন্না হাজারে বলেন, ‘আমি আগে থেকেই বলে আসছি নির্বাচনে লড়তে হলে প্রার্থীর চরিত্র নিষ্কলঙ্ক থাকা জরুরি, ভাবনা সৎ ও স্বচ্ছ থাকতে হয়। তবেই মানুষ প্রার্থীকে বিশ্বাস করতে পারেন। কিন্তু আপ সেটা করেনি। কেজরিওয়ালও কথা শোনেননি।’ কেজরির প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে আন্না হাজারে বলেন, ‘ও (কেজরিওয়াল) আমার কথা শোনেনি। মদে মন দিল...কেন এই ইস্যুটা উঠে এল? ও অর্থক্ষমতায় বুঁদ হয়ে গিয়েছিল।’
প্রসঙ্গত, দিল্লি নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে আপ-এর। আজ, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টে পর্যন্ত ৪০টি আসন জিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে গিয়েছে বিজেপি। এছাড়াও, তারা এগিয়ে রয়েছে ৮টি সিটে। অন্যদিকে, মাত্র মাত্র ১৭টি আসন দখল করতে পেরেছে আপ। এছাড়াও ৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে তারা। ফলে আপ-এর তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি আসনে জিততে চলেছে বিজেপি। যা মনোবল ভাঙছে আপ কর্মী-সমর্থকদের। অন্যদিকে প্রেস্টিজ ফাইটের লড়াইয়ে জিতে চাঙ্গা হচ্ছে গেরুয়া শিবির।



