শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: দূরপাল্লার ট্রেনে বহন ক্ষমতার অতিরিক্ত অসংরক্ষিত শ্রেণির টিকিট বিক্রি করবেন না। তাহলে পদপিষ্ট হওয়ার বিপদ এড়ানো যাবে। একইসঙ্গে কমে আসবে ভিড় ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা। রেল পুলিসের তরফে এমনই চিঠি যাচ্ছে ডিআরএম’দের কাছে। রেল পুলিস সূত্রের খবর, প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেন ছাড়ার খবর পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়েই যাতে ঘোষণা করা হয় সেই প্রস্তাবও দেওয়া হচ্ছে। তাহলে যেকোনও বড় অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে রেল পুলিস এবং আররিএফ সমন্বয়ের ভিত্তিতে ব্যারিকেড গড়ে সুশৃঙ্খলভাবে যাত্রীদের নির্দিষ্ট স্থানে পাঠাতে পারবে।
Advertisement
সম্প্রতি নিউদিল্লি স্টেশনে পদপিষ্ট হয়ে ১৮ জন পুণ্যার্থীর মৃত্যু হয়। তথ্য মেলে যে, টিকিট কাউন্টার থেকে প্রতি ঘণ্টায় ১৮০০-র বেশি অসংরক্ষিত আসনের টিকিট ইস্যু করা হয়েছিল। এই ঘটনার পর থেকেই বাড়তি সতর্ক রাজ্য। হাওড়া, শিয়ালদহ, আসানসোল, বর্ধমানসহ বিভিন্ন স্টেশন থেকে অসংখ্য মানুষ কুম্ভমেলায় যাচ্ছেন। কিছু উৎসবেও বাড়তি ভিড় থাকে বড় স্টেশনগুলিতে।
রেল পুলিসের কর্তাদের নজরে এসেছে, অসংরক্ষিত টিকিট ইস্যু করার ক্ষেত্রেও কোনও শৃঙ্খলা নেই রেলের। কোন ট্রেনের অসংরক্ষিত কামরার ‘ক্যাপাসিটি’ কত, তার হিসেব না করেই জলের স্রোতের মতোই টিকিটি বিক্রি করা হচ্ছে! ওই কারণে হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে যাত্রীদের মধ্যে। রেল পুলিসের অফিসাররা পর্যালোচনা করতে গিয়ে দেখেছেন, সংরক্ষিত আসনের যাত্রীদের থেকে তিন বা চারগুণ কিংবা তার চেয়েও বেশি যাত্রী থাকছেন প্ল্যাটফর্মে। ওই কারণে ভিড় সামলাতে রীতিমতো সমস্যায় পড়তে হচ্ছে রেল পুলিসকে। এমন পরিস্থিতিতে সমস্যা তীব্রতর হছে নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম বদলের কারণে। ঘোষণা শুনে হাজার হাজার যাত্রীর পক্ষে তখন নিমেষের মধ্যে অন্য প্ল্যাটফর্মে গিয়ে নির্দিষ্ট ট্রেন ধরার অভিজ্ঞতা ভয়াবহ হতে বাধ্য। পরিস্থিতি পুরো হাতের বাইরেই চলে যাচ্ছে তখন।
এই সমস্ত বিষয় নিয়েই সোমবার রেল পুলিসের শীর্ষ কর্তারা সমস্ত এসআরপি এবং জিআরপি ইনসপেক্টরকে নিয়ে বৈঠক করেন। সেখানে ‘ক্রাউড কন্ট্রোলের’ উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়, যাতে কোনোভাবেই পদপিষ্ট হওয়ার মতো ঘটনা আর না ঘটে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, স্টেশনের ভিতর হঠাৎ ভিড় বেড়ে গেলে তার চাপ সামলানো কঠিন। তাই স্টেশনে ঢোকার আগেই ব্যারিকেড করে দিতে হবে, যাতে অতিরিক্ত চাপ না-হয়।
বলা হয়েছে, এই ধরনের সমস্যা হলে রেলের ডিআরএমকে চিঠি দিতে হবে, যাতে তাঁরা ট্রেন বাড়িয়ে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারেন। অসংরক্ষিত কামরায় ওঠার সময় যাত্রীদের হুড়োহুড়ি আটকাতে জিআরপি এবং আরপিএফ কাজ করবে পূর্ণ সমন্বয়ের ভিত্তিতে। তবে অসংরক্ষিত কামরার জন্য টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে লাগাম টানতে চাইছে রেল পুলিস। তারা চায়, ক্যাপাসিটি ‘ফুল’ হয়ে গেলেই টিকিটি বিক্রি পুরো বন্ধ করে দিতে হবে। তাতে সমস্যা হলে দিতে হবে বাড়তি কামরা, যাতে অতিরিক্ত ভিড় সামাল দেওয়া যায়। রেল পুলিসের সুপারদের থেকে ডিআরএম’দের কাছে এই সংক্রান্ত চিঠি যাচ্ছে। পাশাপাশি বিষয়টি রেলের জিএম’কেও জানানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওইসঙ্গে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছাড়া ট্রেনের অসংরক্ষিত কামরার ‘ক্যাপাসিটি’ বা যাত্রী বহনক্ষমতা কত, তা জানতে চায় রেল পুলিস। তারা মনে করে, যাত্রীর ভিড় নিয়ন্ত্রণে এতে সুবিধা হবে।
রেল পুলিসের কর্তাদের নজরে এসেছে, অসংরক্ষিত টিকিট ইস্যু করার ক্ষেত্রেও কোনও শৃঙ্খলা নেই রেলের। কোন ট্রেনের অসংরক্ষিত কামরার ‘ক্যাপাসিটি’ কত, তার হিসেব না করেই জলের স্রোতের মতোই টিকিটি বিক্রি করা হচ্ছে! ওই কারণে হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে যাত্রীদের মধ্যে। রেল পুলিসের অফিসাররা পর্যালোচনা করতে গিয়ে দেখেছেন, সংরক্ষিত আসনের যাত্রীদের থেকে তিন বা চারগুণ কিংবা তার চেয়েও বেশি যাত্রী থাকছেন প্ল্যাটফর্মে। ওই কারণে ভিড় সামলাতে রীতিমতো সমস্যায় পড়তে হচ্ছে রেল পুলিসকে। এমন পরিস্থিতিতে সমস্যা তীব্রতর হছে নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম বদলের কারণে। ঘোষণা শুনে হাজার হাজার যাত্রীর পক্ষে তখন নিমেষের মধ্যে অন্য প্ল্যাটফর্মে গিয়ে নির্দিষ্ট ট্রেন ধরার অভিজ্ঞতা ভয়াবহ হতে বাধ্য। পরিস্থিতি পুরো হাতের বাইরেই চলে যাচ্ছে তখন।
এই সমস্ত বিষয় নিয়েই সোমবার রেল পুলিসের শীর্ষ কর্তারা সমস্ত এসআরপি এবং জিআরপি ইনসপেক্টরকে নিয়ে বৈঠক করেন। সেখানে ‘ক্রাউড কন্ট্রোলের’ উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়, যাতে কোনোভাবেই পদপিষ্ট হওয়ার মতো ঘটনা আর না ঘটে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, স্টেশনের ভিতর হঠাৎ ভিড় বেড়ে গেলে তার চাপ সামলানো কঠিন। তাই স্টেশনে ঢোকার আগেই ব্যারিকেড করে দিতে হবে, যাতে অতিরিক্ত চাপ না-হয়।
বলা হয়েছে, এই ধরনের সমস্যা হলে রেলের ডিআরএমকে চিঠি দিতে হবে, যাতে তাঁরা ট্রেন বাড়িয়ে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারেন। অসংরক্ষিত কামরায় ওঠার সময় যাত্রীদের হুড়োহুড়ি আটকাতে জিআরপি এবং আরপিএফ কাজ করবে পূর্ণ সমন্বয়ের ভিত্তিতে। তবে অসংরক্ষিত কামরার জন্য টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে লাগাম টানতে চাইছে রেল পুলিস। তারা চায়, ক্যাপাসিটি ‘ফুল’ হয়ে গেলেই টিকিটি বিক্রি পুরো বন্ধ করে দিতে হবে। তাতে সমস্যা হলে দিতে হবে বাড়তি কামরা, যাতে অতিরিক্ত ভিড় সামাল দেওয়া যায়। রেল পুলিসের সুপারদের থেকে ডিআরএম’দের কাছে এই সংক্রান্ত চিঠি যাচ্ছে। পাশাপাশি বিষয়টি রেলের জিএম’কেও জানানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওইসঙ্গে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছাড়া ট্রেনের অসংরক্ষিত কামরার ‘ক্যাপাসিটি’ বা যাত্রী বহনক্ষমতা কত, তা জানতে চায় রেল পুলিস। তারা মনে করে, যাত্রীর ভিড় নিয়ন্ত্রণে এতে সুবিধা হবে।



