নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত ও সংবাদদাতা, বনগাঁ: হাবড়া থানার পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হল বাংলাদেশি। ধৃতের নাম ধীরেন হালদার (৬৭)। বাড়ি যশোরের বেনাপোলের পাটবাড়ি। মাঝেমধ্যে বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্ট নিয়ে ভারতে আসত ধীরেন। দত্তপুকুরের এক দালালকে ধরে হাবড়ার বাণীপুরের ভুয়ো ঠিকানা দেখিয়ে ভারতীয় নথি জোগাড় করেছিল।
Advertisement
১৫ ফেব্রুয়ারি ফের ভারতে আসে ধীরেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, বুধবার হাবড়া স্টেশন মোড় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ধৃতের কাছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট সহ ভারতের ভোটার, আধার, প্যান কার্ড, ট্রেড লাইসেন্স ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। বুধবার ধৃতকে বারাসত আদালতে তোলা হলে পাঁচদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। জেরায় পুলিস জেনেছে, ভুয়ো নথি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল মোটা অঙ্কের টাকা। তা দিয়ে সে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলে। কিনেছিল জমিও। পুলিস সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খড়িয়া বলেন, ধৃতকে পুলিসি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। যে তার ভারতীয় নথি তৈরি করেছিল, তাকে খোঁজা হচ্ছে।
এছাড়া, চোরাপথে দেশে ফেরার সময় দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম বিলাল শেখ ও সোহেল রানা। ধৃতরা বাংলাদেশের যশোর জেলার বাসিন্দা। তারা চোরাপথে ভারতে এসেছিল। মঙ্গলবার আঙরাইল সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। সেই সময় কর্তব্যরত বিএসএফ জওয়ানরা তাঁদের আটক করে। জানা যায়, বেশ কিছুদিন আগে সীমান্ত পেরিয়ে চোরাপথে এদেশে এসেছিল তারা। ফের দেশে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। এদেশে আসার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি ধৃত বাংলাদেশিরা। এরপরই তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বুধবার বনগাঁ আদালতে ধৃতদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়।
এছাড়া, চোরাপথে দেশে ফেরার সময় দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম বিলাল শেখ ও সোহেল রানা। ধৃতরা বাংলাদেশের যশোর জেলার বাসিন্দা। তারা চোরাপথে ভারতে এসেছিল। মঙ্গলবার আঙরাইল সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। সেই সময় কর্তব্যরত বিএসএফ জওয়ানরা তাঁদের আটক করে। জানা যায়, বেশ কিছুদিন আগে সীমান্ত পেরিয়ে চোরাপথে এদেশে এসেছিল তারা। ফের দেশে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। এদেশে আসার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি ধৃত বাংলাদেশিরা। এরপরই তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বুধবার বনগাঁ আদালতে ধৃতদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়।



