Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পুজোয় বই বিক্রি নিয়ে সিপিএমের অন্দরে জেলা বনাম শহর? উঠছে প্রশ্ন

পুজোর সময় সিপিএমের বইয়ের দোকান! এই নিয়ে বিরোধীরা কখনও কটাক্ষ, কখনও তির্যক সমালোচনা ছুড়ে দেন।

পুজোয় বই বিক্রি নিয়ে সিপিএমের অন্দরে জেলা বনাম শহর? উঠছে প্রশ্ন
  • ৫ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পুজোর সময় সিপিএমের বইয়ের দোকান! এই নিয়ে বিরোধীরা কখনও কটাক্ষ, কখনও তির্যক সমালোচনা ছুড়ে দেন। এবার বুক স্টল ঘিরেই কি সিপিএমের অন্দরে জেলা বনাম শহরের প্রতিযোগিতা শুরু? এমনই প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, সিপিএমের পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা সম্পাদক বিজয় পাল সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘জেলার সর্ববৃহত্ বই দোকান। খড়্গপুর শহর দক্ষিণ এরিয়া কমিটি। লক্ষাধিক টাকার বই বিক্রি হয়েছে। শুধু কলকাতার দিকে নজর না দিয়ে গ্রামীণ জনপদের দিকেও নজর ফিরুক।’ এদিকে যাদবপুরের বইয়ের দোকান থেকে ৪ লক্ষ টাকার কাছাকাছি বই বিক্রি হয়েছে বলে দাবি নেতৃত্বের। যা নিয়ে সিপিএমের কর্মী-সমর্থকরা প্রচারে নেমেছেন। তাই কি পশ্চিম মেদিনীপুরের আক্ষেপ?

Advertisement

কলকাতা শহরে যাদবপুরের বুকস্টল বরাবরই কলেবরে বড় হয়ে থাকে। তা চলেও বেশ কয়েকদিন। এই স্টলের দায়িত্ব পালন করেছেন পার্টির রাজ্য কমিটির সদস্য সুদীপ সেনগুপ্ত। তিনি জানিয়েছেন, এই স্টল থেকে প্রায় ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার বই বিক্রি হয়েছে। স্টল উদ্বোধন করেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। তারপর বিজয়বাবুর ‘গ্রামীণ জনপদে নজর ফেরানোর’ আর্জি। এখানেই কি প্রতিযোগিতার শুরু? সুদীপ সেনগুপ্ত বলছেন, ‘এটাকে আমরা গঠনমূলক প্রতিযোগিতা বলি। এবার হালিশহর, কাচরাপাড়ায় খুব ভালো হয়েছে বলে শুনেছি। পার্টি আমাদের যেটুকু দায়িত্ব দিয়েছে, আমরা সেটাই পালন করছি। অন্য জায়গায় যদি পার্টি সাংগঠনিকভাবে বৃদ্ধি পায় সেটা আনন্দের।’ আর বিজয় পালের গলায় কি আক্ষেপের সুর? তিনি বলছেন, ‘আক্ষেপের জায়গা নেই। আমি সামগ্রিক মিডিয়ার উদ্দেশে লিখেছি। বলতে চেয়েছি, আপনারা গ্রামীণ এলাকার দিকে তাকান। আমাদের ওই স্টলে বরাবরই ভালো বিক্রি হয়।’ এসবের পরেও প্রতিযোগিতার সুর যেন ধরা পড়েছে পার্টির অন্দরেই। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ