Bartaman Logo
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পুজোর মণ্ডপেই সরকারি প্রকল্পের ফর্ম বণ্টন-গ্রহণ, অভিনব উদ্যোগ ঘোষণা অগ্নিমিত্রার

আয়ুষ্মান ভারত হোক বা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা—কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে চায় হাজার হাজার মানুষ।

পুজোর মণ্ডপেই সরকারি প্রকল্পের ফর্ম বণ্টন-গ্রহণ, অভিনব উদ্যোগ ঘোষণা অগ্নিমিত্রার
  • ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: আয়ুষ্মান ভারত হোক বা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা—কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে চায় হাজার হাজার মানুষ। অথচ সরকারি প্রকল্পের ফর্ম পাওয়া এবং তা পূরণ করে জমা করার ঝক্কি বহু। সেই কাজই যদি হয়ে যায় দুর্গাপুজোর মণ্ডপ ঘুরতে ঘুরতে। এমনই উদ্যোগ নিচ্ছে রা঩জ্যের পুরদপ্তর। তাঁরা চান শহরের বড়ো পুজো মণ্ডপগুলিতে পুরদপ্তরের বিশেষ ক্যাম্প করতে। যাতে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের প্রকল্পের সুবিধাগুলি সহজেই পাওয়া যায়। বিভিন্ন প্রকল্পের ফর্ম বিতরণ ও ফর্ম জমা নেওয়ার কাজ পুজোর সময়েও করতে চায় পুরদপ্তর। এমনই উ঩দ্যোগের কথা জানিয়েছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

Advertisement

তার এই উদ্যোগের সূচনা করতে চাইছেন তাঁর নিজের বিধানসভা এলাকা থেকেই। এদিন আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার হিরাপুর থানার পুজো সমন্বয় বৈঠকে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে আলোচনা করেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানেই তিনি পুজো কমিটিগুলির কাছে পুরদপ্তরেরকে এই ক্যাম্প করতে দেওয়ার অনুরোধ করেন। তাঁর এই প্রস্তাবকে সাদরে গ্রহণ করেন রামবাঁধ ফ্রেন্ডস ক্লাব থেকে সূর্যনগর স্পোটিং ক্লাব। শ্যামবাঁধ সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটি থেকে নবঘন্টির পুজো কমিটিগুলি। তাঁরা সকলেই জানিয়েছেন, পুরদপ্তরের ক্যাম্প করতে দিয়ে তাঁরা প্রস্তুত। ইচ্ছুক ক্লাবগুলির নাম পুরদপ্তরের কর্মীদের লিখে নিতে বলেন পুরমন্ত্রী। তিনি এদিন প্রস্তাব দেন, বয়স্কদের আর প্রতিবন্ধীদের ভিড় ঠেলে পুজো দেখতে যেতে খুব সমস্যা হয়। তাঁদের জন্য পৃথক গেটের ব্যবস্থা করলে খুবই ভালো হয়। 
যদিও এদিন সমন্বয় বৈঠকে আসানসোল পুর এলাকার বেহাল রাস্তাঘাটের আঁচ পেলেন পুরমন্ত্রী। এদিনের বৈঠকে পুজো কমিটিগুলিকেও বিভিন্ন সমস্যার বিষয় বলার সুযোগ দেওয়া হয়। সেখানে প্রায় সব পুজো কমিটি নিজেদের এলাকার বেহাল রাস্তাঘাটের কথাগুলি মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন। আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার ৬০ ফুট রাস্তার বেহাল দশার কথা অনেকেই তুলে ধরেন। তেমনি অনেকে বি সি কলেজ থেকে কালাঝরিয়া বেহাল রাস্তা নিয়ে সরব হন। চিত্রা-সাঁতাডাঙাল রাস্তা নিয়েও মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নবঘন্টির বৈষ্ণবঘাট থেকে কীর্তনমাঠ, হিলভিউ মেইল এলাকার রাস্তা তৃণমূল জমানায় অর্ধেক করে রেখে দিয়েছিল বলে অভিযোগ তোলেন পুজো কমিটির সদস্যা। প্রতিটি অভিযোগই আসানসোল পুরসভার আধিকারিকদের লিখে রাখার নির্দেশ দেন পুরমন্ত্রী। তারপর তিনি বলেন, আমরা ১০ অক্টোবরের আগে আসানসোলের ১৯০টি রাস্তা সংস্কার করব। হয়তো এই রাস্তাগুলি সেই তালিকাতেও আছে। তবু আমরা এই রাস্তাগুলির পরিস্থিতি ফের যাচাই করব। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ