নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূলের তরফে আগেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল, এসআইআর নিয়ে দলের কর্মীদের চোখ-কান খোলা রেখে কাজ করতে হবে। যেভাবেই হোক, রুখতে হবে বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত। সেই মতো কাজ কতটা হয়েছে, তার পর্যালোচনা শুরু করেছে রাজ্যের শাসক দল। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে সাংগঠনিক রিভিউ করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই একটি ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে সর্বস্তরের কর্মীর সঙ্গে আলোচনা হবে বলে খবর। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসআইআর শুনানির সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে নির্বাচন কমিশন। তাই আগামী দু’-তিন দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে তৃণমূল নেতৃত্ব। সাংগঠনিকভাবে জেলায় জেলায় বার্তা দেওয়া হয়েছে, ১৪ তারিখ পর্যন্ত শুনানি পর্বে নজর রাখতে হবে। শুনানির জন্য যাঁদের ডাকা হচ্ছে, তাঁরা সকলেই শুনানি কেন্দ্রে হাজির হয়েছেন কি না, কেউ যেতে পারেননি কি না, এসব বিষয় খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, একটি রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে। লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সির তালিকা নির্বাচন কমিশন ওয়ার্ড এবং পঞ্চায়েতগুলিতে প্রকাশ করেছিল কি না, সেই তথ্য সেখানে থাকবে। কোনো জায়গায় তালিকা প্রকাশ কমিশন বাদ দিয়েছিল কি না, সেই সংক্রান্ত বুথভিত্তিক রিপোর্ট থাকছে। এছাড়াও কমিশন যাঁদের ডেকেছিল, সবাই হাজির হয়েছিলেন কি না, কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর কমিশন রসিদ দিয়েছিল কি না— এসব যাবতীয় তথ্য একত্রিত করে একটি রিপোর্ট তৈরি করছে তৃণমূল। ‘মৃত’ ব্যক্তি ছাড়াও নির্দিষ্ট কোনো কারণে নাম বাদ পড়তে পারে, এমন তথ্য তৃণমূলের পক্ষ থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে একটি মূল্যায়ন করা হবে। সেখানে খতিয়ে দেখা হবে, কোনো বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে কি না। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর কমিশনের কোনো কাজে প্রশ্ন উঠলে সেই মতো পদক্ষেপ করবে তৃণমূল।



