Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অন্ধকার বারাসত আন্ডারপাসে বাড়ছে নোংরা জল-আবর্জনা!

অন্ধকার বারাসত আন্ডারপাসে বাড়ছে নোংরা জল-আবর্জনা!
  • ৩১ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: লাইন দিয়ে ঝুঁকির পারাপার বন্ধ করতে বারাসতের ১২ নম্বর রেলগেটে তৈরি হয়েছিল আন্ডারপাস। বছর ছয় আগে ঢাকঢোল পিটিয়ে এর উদ্বোধনও হয়। কিন্তু, এখন সেই আন্ডারপাস যেন আতঙ্কের অপর নাম হয়ে উঠেছে। নেই পর্যাপ্ত আলো। পাশাপাশি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে নোংরা, আবর্জনা থেকে দূষিত জল। দুর্গন্ধে অতিষ্ট মানুষ। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে দিনের বেলাতেও টর্চ জ্বেলে যেতে হচ্ছে মানুষকে! ফলে, যে কোনও সময় ছিনতাই বা অন্য কোনও বিপত্তি ঘটে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা নাগরিকদের। তাঁদের অভিযোগ, জীবনে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার আগেও ছিল। কিন্তু আন্ডারপাস হয়ে সুরাহা কিছুই হয়নি।

Advertisement

২০১৯ সালের ১৬ জুলাই চালু হয়েছিল আন্ডারপাস। কিন্তু চালু হওয়ার ক’দিন পরেই ধরা পড়ে ত্রুটি। দেখা যায়, অল্পবৃষ্টিতেই সেখানে জল জমে যায়। সেই রোগ এখনও সারেনি। পাশাপাশি আন্ডারপাসের পূর্ব এবং পশ্চিম দিকের অ্যাপ্রোচ রোড নিয়েও ছিল বিস্তর অভিযোগ। পরে অবশ্য এই রোড তৈরি হলেও ভিতরে বৃষ্টির জমা জলের সমস্যার সুরাহা হয়নি। কিন্তু তার উপর নতুন করে হয়েছে অন্ধকার, আবর্জনার সমস্যা।
স্থানীয় বাসিন্দা রাজু দাস বলেন, মানুষের সুরক্ষার দিকে নজর না দিয়ে এমন একটি সাবওয়ে নির্মাণ করা ঠিক নয়। মানুষের সমস্যার সমাধান তো হয়নি, উল্টে ক্ষোভ বাড়ছে রেলের বিরুদ্ধে।
সংযুক্তা দে নামে আরও এক পথচারী বললেন, ১২ নম্বর রেল গেটের এই আন্ডারপাস এখন খুব বিপজ্জনক। এই এলাকার আশেপাশে চোরাগোপ্তা নেশার আসর বসে। তাছাড়া জলনিকাশির কোনও ব্যবস্থা নেই। বর্যায় তো খুবই শোচনীয় অবস্থা হয়। আন্ডারপাসে নেই কোনও সিসি ক্যামেরাও। ফলে যাত্রী নিরাপত্তাও প্রশ্নের মুখে। 
এনিয়ে পূর্ব রেলের জনসংযোগ বিভাগের তরফে দীপ্তিময় দত্ত ফোনে জানান, ওই  আন্ডারপাসে এখন কোনও সমস্যা নেই। আগে কী ছিল, বলতে পারব না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ