Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খড়্গপুর শহরে দিলীপ ঘোষের চমকহীন সভা

২১ জুলাই খড়গপুর শহরে শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি কর্মসূচিতে যোগ দিলেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু কোনও চমক থাকল না। তাই ঝাড়গ্রাম সহ মেদিনীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে কর্মী-সমর্থকরা এলেও, তাঁদের হতাশ হয়েই ফিরতে হয়েছে।

খড়্গপুর শহরে দিলীপ ঘোষের চমকহীন সভা
  • ২২ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, খড়গপুর: ২১ জুলাই খড়গপুর শহরে শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি কর্মসূচিতে যোগ দিলেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু কোনও চমক থাকল না। তাই ঝাড়গ্রাম সহ মেদিনীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে কর্মী-সমর্থকরা এলেও, তাঁদের হতাশ হয়েই ফিরতে হয়েছে। জানা গিয়েছে, সোমবার খড়গপুর শহরের গিরি ময়দান এলাকায় মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির উদ্যোগে শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি কর্মসূচি পালন করা হয়। প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ ছাড়াও কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিজেপির সভাপতি শমিতকুমার মণ্ডল, ২৬ জন মণ্ডল সভাপতি সহ প্রথম সারির নেতারা। এদিন শহিদ মঞ্চ থেকে দুই শতাধিক শহিদের উদ্দেশ্যে সম্মান জানান নেতারা। এছাড়া বিভিন্ন দল থেকে বেশকিছু পরিবার বিজেপিতে যোগ দেন। কিন্তু এই কর্মসূচিতে জেলা নেতৃত্বের কোনও প্রতিনিধিকে দেখা যায়নি। বিজেপির নেতাদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রায় এক হাজারের কাছাকাছি জন সমাগম হয়েছিল। সেই লোক জোগাড় করতেও হিমশিম খেতে হয়েছে। দলের নির্দেশে উত্তরকন্যা অভিযান চলছে। সেই কর্মসূচির মাঝেই নেতাদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই এই শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি কর্মসূচি পালন করা হল।

Advertisement

এদিন দিলীপবাবু বলেন, অনেকেই জিজ্ঞেস করছিল, কী চমক থাকবে? আরে তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ ছাড়াও যে অন্য মঞ্চ হতে পারে, সেটাই তো চমক! আমরা দু›শো জনের বেশি শহিদকে শ্রদ্ধা জানালাম। শুনুন, ৬০ লক্ষ বাড়ির টাকা লুট করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সব টাকা বের করা হবে। এই শহিদ দিবস, তৃণমূলের শেষ শহিদ দিবস। গতবারে একটু ঢিলা দিয়েছিলাম মশা, মাছি সব ঢুকে পড়েছে। এবার কিন্তু কাউকে ঢুকতে দেব না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত দিলীপবাবুর প্রভাব ছিল জেলায়। কিন্তু ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। একদা দিলীপ অনুগামীদের একাংশ মুখ ফেরাতে শুরু করে।
বিজেপির এক নেতা বলেন, দিলীপ বিরোধী শিবির সংখ্যা গরিষ্ঠ। এদিনের সভা নিয়েও ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় তাঁরা নিন্দা করছেন। একইসঙ্গে দিলীপবাবুর পাশে মেদিনীপুরের নেতাদের বড় অংশ নেই। তা আবারও প্রমাণিত হল।

সম্পর্কিত সংবাদ