Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল হাজিরা

সরকারি অফিস, হাসপাতাল সহ নানা বেসরকারি সংস্থায় ডিজিটাল হাজিরা বহুদিন আগেই চালু হয়েছে। এবার বেলডাঙা চক্রের ৩০নম্বর আণ্ডিরণ প্রাথমিক বিদ্যালয়েও ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা চালু হল

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল হাজিরা
  • ৩ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বহরমপুর: সরকারি অফিস, হাসপাতাল সহ নানা বেসরকারি সংস্থায় ডিজিটাল হাজিরা বহুদিন আগেই চালু হয়েছে। এবার বেলডাঙা চক্রের ৩০নম্বর আণ্ডিরণ প্রাথমিক বিদ্যালয়েও ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা চালু হল। সেইসঙ্গে অভিভাবকরা যাতে সহজে সন্তানদের পড়াশোনা-সংক্রান্ত নানা তথ্য জানতে পারেন, সেই জন্য একটি অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে। ওই অ্যাপের মাধ্যমে অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের পরীক্ষার মূল্যায়ন সহ পড়াশোনা-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য নিজেদের মোবাইলে পেয়ে যাবে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ দত্ত বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। ডিজিটাল হাজিরা নিয়ে পড়ুয়াদের উৎসাহ দেখা দিয়েছে।

Advertisement

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিজিটাল অ্যাটেন্ডেন্স সিস্টেম উদ্বোধন হয়। অনুষ্ঠানে বেলডাঙা-১ এর বিডিও রথীন্দ্রনাথ অধিকারী, বেলডাঙা থানার আইসি সুমিত তালুকদার, চক্রের বিদ্যালয় পরিদর্শক সুশান্ত মণ্ডল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এই পদ্ধতিতে স্কুল পড়ুয়াদের পরিচয়পত্র বা আইডি কার্ড স্ক্যানার যন্ত্রের সামনে রাখলেই উপস্থিতির তথ্য সিস্টেমে রেকর্ড হয়ে যাবে। একটি বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে সেই তথ্য সঙ্গে সঙ্গে অভিভাবকের মোবাইলে চলে যাবে। শুধু উপস্থিতিই নয়, পড়ুয়াদের পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি, মূল্যায়নপত্র, অভিভাবকদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের দিন ও ছুটি-সংক্রান্ত তথ্যও অ্যাপের মাধ্যমে মোবাইলে পৌঁছে দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে ওই অ্যাপের মাধ্যমে নানা সমাজসচেতনতামূলক বার্তাও দেওয়া হবে। বাল্যবিবাহ বন্ধ করা, জল সংরক্ষণ, মিশন নির্মল বাংলা, গাছ লাগাও প্রাণ বাঁচাও, সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফের মতো বার্তা অভিভাবকদের কাছে পৌঁছে দেবে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ের বার্ষিক কর্মসূচিতে পাঠ্যবইয়ের বাইরেও ২০টি বিষয়ে সফল প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে সেরা শিক্ষার্থী ও শিশু সংসদের কৃতীদের সম্মান জানানো হয়। যিনি নিয়মিত বিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত থেকে সন্তানের শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, এমন একজন অভিভাবিকাকে চিহ্নিত করে ‘সেরা মা’ সম্মান দেওয়া হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ