Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হিরে বসানো আংটি উধাও, পরিচারিকাকে ধরে উদ্ধার করল পুলিস

নাম পাল্টে পরিচারিকার কাজ নিয়েছিল। সেখানে চারদিন কাজ করার পর সে উধাও হয়ে যায়। দেখা যায়, ঘর থেকে খোয়া গিয়েছে হিরে বসানো দু’টি সোনার আংটি।

হিরে বসানো আংটি উধাও, পরিচারিকাকে ধরে উদ্ধার করল পুলিস
  • ২৮ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নাম পাল্টে পরিচারিকার কাজ নিয়েছিল। সেখানে চারদিন কাজ করার পর সে উধাও হয়ে যায়। দেখা যায়, ঘর থেকে খোয়া গিয়েছে হিরে বসানো দু’টি সোনার আংটি। এরপর বাড়ির মালিক অভিযোগ জানান ঠাকুরপুকুর থানায়। তদন্তে নেমে পুলিসের হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। জানা যায়, আলিয়ার আসল নাম পূজা। দু’টি নামেই তার আধার কার্ড রয়েছে। আশ্চর্যজনকভাবে দু’টির নম্বরও এক। ২৬ জুলাই গ্রেপ্তার করা হয় পূজা ওরফে আলিয়াকে। তাকে জেরা করে জানা যায়, হিরের ওই আংটি দু’টি সে ৩০ হাজার টাকায় সোনার দোকানে বিক্রি করে দিয়েছে। এরপর চোরাই সোনা কেনার অভিযোগে জুয়েলারি দোকানের দুই মালিককে গ্রেপ্তার করে ঠাকুরপুকুর থানা। উদ্ধার হয়েছে হিরে বসানো সোনার আংটিগুলি।

Advertisement

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ঠাকুরপুকুর এলাকার একটি আয়া সেন্টারে কাজের জন্য আসে ওই তরুণী। সেখানে জমা দেওয়া আধার কার্ডে তার নাম ছিল পূজা মণ্ডল। সেখান থেকে একটি কাজ পায় সে। সেখানে ১৩ জুলাই কাজে যোগ দেয়। ওই বাড়িতে সে যে আধার কার্ড জমা দিয়েছিল, তাতে নাম ছিল আলিয়া বিবি। ১৭ জুলাইয়ের পর সে আর কাজে আসেনি। এরমধ্যেই নজরে আসে, বেডরুমে থাকা হিরে বসানো দু’টি সোনার আংটি নেই। সন্দেহ করা হয়, ওই আয়াই সেটি হাতিয়েছে। অভিযোগ করা হয় ঠাকুরপুকুর থানায়।
আয়া সেন্টারে তদন্তে গিয়ে পুলিস জানতে পারে, আলিয়া নামে কোনও আয়া নেই। ছবি দেখে সেন্টারের মালিক জানান, তার নাম পূজা। তাঁকে দিয়েই পূজা ওরফে আলিয়াকে ২৬ জুলাই ডেকে পাঠানো হয়। দীর্ঘ জেরায় ভেঙে পড়ে সে চুরির কথা স্বীকার করে। অপরাধ করলে যাতে পুলিস ধরতে না পারে, সে কারণেই দু’টি আধার কার্ড তৈরি করেছিল, সেকথাও কবুল করে পূজা। তার বয়ানের সূত্র ধরে সোনার দোকানের মালিক রঞ্জিত মল্লিককে গ্রেপ্তার করে পুলিস। রঞ্জিত জানায়, আংটি দু’টি সে প্রবীর মণ্ডল নামে আরেক দোকানিকে বিক্রি করেছে। সেখানে হানা দিয়ে প্রবীরকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় আংটি দু’টি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ