সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ছোটোবেলা থেকেই তাঁর বেড়াতে যাওয়ার নেশা ছিল। গত কয়েকমাস আগেও অরুণাচল প্রদেশ থেকে ঘুরে এসেছেন। তবে এবার ঘোরা ও কাজের তাগিদে ডায়মন্ডহারবারের পারুলিয়া কোস্টাল থানার কামারপোলের বাসিন্দা হিমাদ্রি পুরকাইত দার্জিলিংয়ের সোনাদায় এলাকায় গিয়েছিলেন। এখানকার একটি হোম স্টেতে তিনি কাজ করতেন। ডিসেম্বর মাসে তাঁর বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁর বাড়িতে ‘নিখোঁজ সংবাদ’ এসেছে। আর এরপর থেকেই উদ্বিগ্নে রয়েছে গোটা পরিবার। জানা গিয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহের দিকে হিমাদ্রি দার্জিলিংয়ের সোনাদায় কাজে গিয়েছিলেন। প্রতিদিনই রাতে মোবাইলের মাধ্যমে তিনি বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলতেন। শনিবার রাত ১০টার দিকেও তিনি মোবাইলে মায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। সেখানকার বর্তমান আবহাওয়ার পরিস্থিতির সম্বন্ধেও মাকে জানিয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে সাবধানে থাকতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সকাল থেকে তাঁকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি। এই বিষয়ে কামারপোল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আশিস হালদার বলেন, ‘শনিবার রাতে দার্জিলিংয়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর থেকে হিমাদ্রিকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এরকমই একটি খবর এসেছে। এই খবর পাওয়ার পরই তাঁর সম্বন্ধে বিস্তারিত তথ্য প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। প্রশাসনের সর্বস্তর থেকে চেষ্টা চলছে হিমাদ্রিকে দ্রুত উদ্ধার করে যাতে তাঁর বাবা-মার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া যায়। এখন পরিবারের সবাই উদ্বিগ্ন। এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনওভাবেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।’ এদিকে, রবিবার রাতে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে একটি পর্যবেক্ষক দল হিমাদ্রির পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। দলে ছিলেন সাংসদের ডায়মন্ডহারবারের পর্যবেক্ষক শামিম আহমেদ।



