


নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে এবার চালু হতে চলেছে ডায়ালিসিস ইউনিট। পিপিপি মডেলে এটি তৈরি করা হয়েছে। উদ্বোধন হবে জুলাইয়ে। এই ডায়ালিসিস ইউনিট চালু হয়ে গেলে সুন্দরবনের প্রান্তিক এলাকার মানুষকে আর কলকাতায় বা দূরের কোনও হাসপাতালে যেতে হবে না।
এই ডায়ালিসিস ইউনিটে থাকবে পাঁচটি বেড। ইতিমধ্যেই মেশিন চলে এসেছে। এই হাসপাতালের উপর নির্ভরশীল ক্যানিং ১ ও ২ নম্বর, বাসন্তী, গোসাবা ব্লক সহ আশপাশের বহু গ্রামের মানুষ। কিডনির সমস্যা নিয়ে অনেকেই ক্যানিং হাসপাতালে আসেন। কিন্তু যেহেতু ডায়ালিসিসের ব্যবস্থা এখানে ছিল না, সেকারণে সংশ্লিষ্ট রোগীদের হয় কলকাতায় বা অন্যত্র রেফার করে দেওয়া হতো। এতে চিকিৎসা খরচ যেমন বাড়ত, তেমনই রোগীর পরিজনদেরও ঝক্কি পোহাতে হতো। পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই অঞ্চলে বর্ষার সময় সাপে কাটা রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়। এই ধরনের রোগীর অবস্থার অবনতি হলে কিংবা আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ডায়ালিসিসের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এবার তাঁদের অন্যত্র রেফার না করে ক্যানিং হাসপাতালেই ডায়ালিসিস করা যাবে বলে মত চিকিৎসকদের।
ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা বাসন্তীর বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল বলেন, বহুদিনের চেষ্টায় অবশেষে এই হাসপাতালে ডায়ালিসিস শুরু হতে চলেছে। এই ইউনিট তৈরি করতে খরচ হয়েছে সাড়ে চার কোটি টাকা। জুলাইয়ের শেষ দিকে মুখ্যমন্ত্রী এটি উদ্বোধন করবেন। নিজস্ব চিত্র