Bartaman Logo
২৪ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ধর্মীয় স্থানে হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মন্তব্য ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিস্ত্রির

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলার ঘটনায় দিল্লির উদ্বেগের কথা ঢাকাকে জানালেন ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিস্ত্রি। হাসিনা সরকার পতনের পর সোমবার প্রথম কোনও গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসল ভারত এবং বাংলাদেশ।

ধর্মীয় স্থানে হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মন্তব্য ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিস্ত্রির
  • ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
Prefer us on Google
ঢাকা, ৯ ডিসেম্বর: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলার ঘটনায় দিল্লির উদ্বেগের কথা ঢাকাকে জানালেন ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিস্ত্রি। হাসিনা সরকার পতনের পর সোমবার প্রথম কোনও গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসল ভারত এবং বাংলাদেশ। আজ, সোমবার সকালে বাংলাদেশের বিদেশসচিব মহম্মদ জসীম উদ্দিনের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম। পরে বাংলাদেশের বিদেশ উপদেষ্টা মহম্মদ তৌহিদ হোসেনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তিনি। দুপুরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিক্রম জানান, বৈঠকে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে ধর্মীয় স্থানে হামলার ঘটনাকে দুঃখজনক বলেও অভিহিত করেছেন বিক্রম।  
Advertisement
তিনি আরও বলেন, “ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সর্বদা একটি পারস্পরিক ইতিবাচক সম্পর্ক চায়। আজকে একটি আশাবাদী, গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলায় ভারতের উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছে। সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় স্থানে একাধিক হামলার বিষয়টিও উত্থাপন কর হয়েছে।”
প্রসঙ্গত, সংখ্যালঘু নির্যাতনে একাধিকবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে পথে নেমেছিলেন হিন্দুরা। সেই আন্দোলনের প্রধান মুখ সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেপ্তারের পরই পরিস্থিতি খারাপ হয়। ‘বৈষম্যবিরোধী’ বাংলাদেশে ফের টার্গেট হন হিন্দুরা। সমাজমাধ্যমে ধর্মকে অবমাননা করা হয়েছে, এই ‘ধুয়ো’ তুলে গত মঙ্গলবার রাতভর তাণ্ডব চলে সিলেটের সুনামগঞ্জে। সেখানকার দোয়ারাবাজার উপজেলায় নির্বিচারে ভাঙচুর করা হয় হিন্দুদের বাড়ি ও দোকান। সঙ্গে চলে লুটপাট। হামলা থেকে রক্ষা পায়নি মন্দিরও। লোকনাথ মন্দিরে ভাঙচুরের পর সেখান থেকে টাকা ও অন্যান্য সামগ্রী লুট করা হয়। পুলিস ছিল নীরব দর্শকের ভূমিকায়। এমনকী কতগুলি জায়গায় ভাঙচুর হয়েছে, তা নিয়েও সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেনি স্থানীয় প্রশাসন। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, চল্লিশেরও বেশি বাড়ি, দোকান ভাঙচুর হয়েছে। কয়েকটি সূত্র আবার জানিয়েছে, সংখ্যাটা একশোর বেশি। প্রাণ বাঁচাতে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতেও বাধ্য হয় বহু হিন্দু পরিবার। একের পর এক এমন ঘটনায় আন্তর্জাতিক স্তরে চাপের মুখে বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ