সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: ক্রমবর্ধমান দিনহাটা শহরের রাস্তায় টোটো, অটো সহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের সংখ্যা বড়ছে। প্রধান রাস্তা থেকে গলিপথে মঝেমধ্যেই যানজটে নাভিশ্বাস উঠেছে শহরবাসীর। প্রতিদিন গ্রামীণ এলাকা থেকে কয়েকশো টোটো চলে আসছে শহরের। ফলে সমস্যা আরও তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে দিনহাটার পাঁচমাথা মোড়, স্টেশন চৌপথি, বলরামপুর লেভেল ক্রসিং, সাহেবগঞ্জ রোড, ঝুড়িপাড়া থেকে ভবানী সিনেমা হলের সামনের রাস্তায় সকাল-বিকেল অফিস টাইমে যানজট চরম আকার নিচ্ছে।
দিনহাটা শহরের বিভিন্ন রাস্তায় যানজটের কারণে নিত্যদিন পথচলতি মানুষকে নাকাল হতে হচ্ছে। হয়। অথচ কোচবিহার থেকে শহরে ঢোকার মুখে একটা বাইপাস রাস্তা ছাড়া বিকল্প যাতায়াতের রুট তৈরিই হয়নি। তারউপর টোটো, অটোর দৌরাত্ম্য তো রয়েইছে। নাগরিকদের মতে, সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাবেই দিনহাটায় যানজট এখন নিত্যযন্ত্রণা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামনেই পুজো। বিভিন্ন এলাকা থেকে শহরে পুজোর কেনাকাটা করতে গ্রামগঞ্জ থেকে মানুষ আসছে। ফলে শুধু অফিস টাইম নয়, এর বাইরেও যখনতখন থমকে যাচ্ছে যানবাহনের চাকা। অবিলম্বে শহরে যানজট নিয়ন্ত্রণে পুলিসকে পদক্ষেপ নিতে হবে।
দিনহাটা নাগরিক মঞ্চের সম্পাদক জয়গোপাল ভৌমিক বলেন, শহরে লোকসংখ্যা বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে যানবাহনও। কিন্তু সেভাবে রাস্তা চওড়া না হওয়াতেই যানজট। ইতিমধ্যেই পুজোর বাজারও শুরু হয়েছে। শহরের বাইরের প্রচুর অটো, টোটো এখন শহরের রাস্তায় চলছে। এসব নিয়ন্ত্রণ না হলে যানজট নিয়ন্ত্রণে করা সম্ভব নয়।
দিনহাটা পুরসভার চেয়ারম্যান অপর্ণা দে নন্দী বলেন, শহরে যানজট কমাতে আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি। বাইরে থেকে প্রচুর টোটো শহরের আসছে। ফলে দুর্ঘটনাও ঘটছে। শহরে যানজট কমাতে পুলিস প্রশাসন, ব্যবসায়ী সংগঠন, শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এর মধ্যেই আমরা আলোচনায় বসব যাতে পুজোর আগে কিছুটা হলেও সমস্যা লাঘব করা যায়।