Bartaman Logo
১৫ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শান্তিপূর্ণভাবে ভোট মেটার পরও থমথমে ভাঙড়, উদ্ধার ৭টি বোমা

ভোট মিটতেই পুরানো ছবি ফিরল ভাঙড়ে। ফের বোমা উদ্ধার হল এলাকা থেকে। বৃহস্পতিবার একটি লঙ্কার খেতে পাওয়া যায় সাতটি বোমা।

শান্তিপূর্ণভাবে ভোট মেটার পরও থমথমে ভাঙড়, উদ্ধার ৭টি বোমা
  • ১ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভোট মিটতেই পুরানো ছবি ফিরল ভাঙড়ে। ফের বোমা উদ্ধার হল এলাকা থেকে। বৃহস্পতিবার একটি লঙ্কার খেতে পাওয়া যায় সাতটি বোমা। বুধবার শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট মিটেছে সেখানে। কিন্তু বৃহস্পতিবারও চেনা ছন্দে দেখা গেল না ভাঙড়কে। রাস্তাঘাট প্রায় খালি। ঘটকপুকুর থেকে ভাঙড় কলেজ, কাঁঠালিয়া, বিজয়গঞ্জ বাজার, শোনপুর বাজার সহ একাধিক এলাকা কার্যত ছিল ফাঁকা। হাতেগোনা দোকানপাট খুলেছে। মানুষ বিনা প্রয়োজনে বেরচ্ছে না। যানবাহনের সংখ্যা খুবই কম। পুলিশের গাড়ির যাওয়া-আসাই বেশি চোখে পড়ছে। ভোট পরবর্তী আড্ডা নেই মোড়ের চায়ের দোকানগুলিতেও। যে ক’জনকে রাস্তায় দেখা গিয়েছে, তাঁরা নিজেদের তাগিদেই বেরিয়েছেন। তাঁরা বলেন, এখনও সবার মধ্যে চাপা আতঙ্ক রয়েছে। গণনা না মিটলে সবটা স্বাভাবিক হবে না। ভোট পরবর্তী হিংসা হবে কি না, সেটা নিয়েও অনেকে সন্ধিহান। তবে কিছুটা হলেও অচেনা ভোট দেখেছে ভাঙড়বাসী। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোটারদের মধ্যে স্বতস্ফূর্ততা ছিল ভালোই। ভোট বলে একপ্রকার বন্‌঩ধের চেহারা নিয়েছিল গোটা ভাঙড়। কিন্তু সবাই ভেবেছিলেন, পরের দিন স্বাভাবিক হবে জনজীবন। কিন্তু এদিনও খুব একটা বদলায়নি পরিস্থিতি। তার মধ্যে ফের বোমা উদ্ধার হওয়ায় মানুষজনও বেশ বিরক্ত। তাঁদের একটাই প্রশ্ন, কবে বন্ধ হবে এসব? 

Advertisement

ভোটের দিন কোথাও গোলমালের খবর নেই, নেই কোনো হুমকি বা চোখ রাঙানির মতো ঘটনা। তাহলে ভোট মিটতেই ফের বোমা কীভাবে পাওয়া গেল? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর কাশীপুর থানার ভোগালি এলাকায় একটি লঙ্কা খেত থেকে ওই সাতটি বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। কারা, কী উদ্দেশ্যে সেসব মজুত করেছিল, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এদিকে, ঘটকপুকুর চারমাথা মোড় এলাকায় সাধারণত যে ব্যস্ততা থাকে, এদিন দেখা গেল সেটা উধাও। কিছু মানুষ এদিক-ওদিক রাস্তায় ছিল। তাঁরা বলেন, ভোট হয়ে গেলেও ভাঙড়ে এখনও মানুষ যেন স্বস্তিবোধ করছে না। কী হবে না হবে, কেউ জানে না। তাই সবাই একটু ভীত। একই প্রায় পরিস্থিতি ভাঙড় কলেজের সামনেও। সেখানে প্রায় সব দোকান বন্ধ। কয়েকজন রাস্তায় দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁরা বলেন, কিছুদিন না গেলে স্বাভাবিক হবে না ভাঙড়। কারণ এখানে তো যখন-তখন অশান্তি হয়। এখনও প্রচুর পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। গণনা মিটে গেলে আস্তে আস্তে ছন্দে ফিরবে এলাকা।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ