সঞ্জয় সরকার , কলকাতা:
সঞ্জয় সরকার , কলকাতা:
ভারতীয় ক্লাব ফুটবলে অন্যতম সফল দল ডেম্পো। তবে আর্থিক অনটনের কারণে ২০১৬ সালে হঠাৎই দল তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় গোয়ার ক্লাবটি। সাত বছর পর ফের ভারতীয় ফুটবলের মূলস্রোতে ফেরে তারা। আর চলতি সুপার কাপে শেষ মুহূর্তে সুযোগ পেলেও প্রথম দু’টি ম্যাচে দুরন্ত লড়াই মেলে ধরে। কলকাতার দুই প্রধানকে রুখে ফের একবার চর্চায় শিরোনামে পাঁচবারের আই লিগ চ্যাম্পিয়নরা। আর এর নেপথ্য নায়ক দলের কোচ সমীর নায়েক। নিঃশব্দেই গত এক দশক ধরে তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে কাজ করে গিয়েছেন প্রাক্তন এই জাতীয় দলের ফুটবলারটি। তারই সুফল মিলছে সুপার কাপে। বুধবার গোয়া থেকে ফোনে তিনি জানান, ‘শেষ দু’টি ম্যাচে দলের এই পারফরম্যান্স মোটেই ফ্লুক ছিল না। এর পিছনে রয়েছে গত ৮-১০ বছরের কঠিন পরিশ্রম। ডেম্পোকে ফের ভারতীয় ফুটবলের মানচিত্রে তুলে আনাই আমাদের লক্ষ্য। গোয়া লিগে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফর্ম করেছে ছেলেরা। সুপার কাপের মঞ্চে এই ফল অবশ্যই আগামী দিনে আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।’
ইস্ট বেঙ্গল ও মোহন বাগান— কলকাতার দুই প্রধানকে রুখে তৃপ্ত সমীর নায়েক। তবে দু’টি ম্যাচের মধ্যে মঙ্গলবারের লড়াইকে এগিয়ে রাখছেন ডেম্পো কোচ। তাঁর কথায়, ‘প্রথম ম্যাচে দল কিছুটা হলেও চাপে ছিল। তারউপর প্রথমার্ধে লিড পাওয়ায় আত্মতুষ্টি চেপে বসে। তাই ইস্ট বেঙ্গল ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায়। তবে মঙ্গলবার শুরু থেকেই ছেলেরা দুরন্ত খেলেছে। মনে রাখবেন, এই দলে কিন্তু কোনও বড় নাম নেই। হাতে গোনা কয়েকজন আইএসএলে খেলেছে। তবে কখনওই নিয়মিত ছিল না। সেখানে ইস্ট বেঙ্গল ও মোহন বাগানের বিরুদ্ধে ছেলেদের এই লড়াই অবশ্যই তারিফযোগ্য।’
দেশের জার্সিতে খালিদ জামিলের সঙ্গেই খেলেছেন সমীর নায়েক। বর্তমানে ভারতীয় দলের কোচ মুম্বইকর। আর সমীরের লক্ষ্য, প্রাক্তন সতীর্থের হাতে ভালো মানের ফুটবলার তুলে দেওয়া। তাঁর সংযোজন, ‘শুনলাম খালিদ গোয়ায় এসেছে। মঙ্গলবার মাঠে ছিল। তবে দেখা হয়নি। অবশ্যই ডেম্পো থেকে ফুটবলার জাতীয় দলে সুযোগ পেলে ভালো লাগবে। তবে লড়াই সবে শুরু। এখনও অনেক দূর যেতে হবে।’