সংবাদদাতা, তেহট্ট: সকাল গড়ানোর আগেই তেহট্ট মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে রোগী ও তাঁদের পরিজনদের ভিড়। বহির্বিভাগে চিকিৎসা, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা কিংবা ওষুধ সংগ্রহ—সব মিলিয়ে অনেককেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাসপাতালেই কাটাতে হয়। ফলে দুপুরের খাবারের প্রয়োজন হলেও স্বল্পমূল্যে নির্ভরযোগ্য কোনো ব্যবস্থা না থাকায় সমস্যায় পড়ছেন নিম্ন আয়ের রোগী ও তাঁদের পরিজনরা। এই পরিস্থিতিতে হাসপাতাল চত্বরে রাজ্য সরকারের ‘মা আহার’ প্রকল্প চালুর দাবি উঠেছে।
তেহট্ট-১ ও তেহট্ট-২ এবং করিমপুর-১ ও করিমপুর-২ মিলিয়ে চার ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ চিকিৎসার জন্য এই মহকুমা হাসপাতালের উপরই নির্ভরশীল। প্রতিদিনই দূরদূরান্ত থেকে বহু রোগী ও তাঁদের পরিজন হাসপাতালে আসেন। চিকিৎসক দেখানো, রক্ত-সহ বিভিন্ন পরীক্ষা, রিপোর্ট সংগ্রহ কিংবা ওষুধ নিতে গিয়ে অনেকেরই দুপুর গড়িয়ে যায়। তখন হাসপাতালের ক্যান্টিন অথবা বাইরের খাবারের দোকানই একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠে। কিন্তু সেই খাবারের দাম অনেক পরিবারের পক্ষেই বহন করা কঠিন বলে অভিযোগ।
স্থানীয়দের বক্তব্য, ‘মা আহার’ প্রকল্পের মাধ্যমে কম দামে খাবার পাওয়ার সুযোগ থাকলে হাসপাতালের রোগী ও পরিজনদের পাশাপাশি কর্মরত বহু মানুষও উপকৃত হবেন। হাসপাতাল চত্বরে ‘মা আহার’ চালু হলে তাঁদের অনেকেরই মধ্যাহ্নভোজের খরচ কমবে। বিধায়ক সুব্রত কবিরাজ বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানাব। যাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা হয় সেই চেষ্টা করব।