Bartaman Logo
২৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

বন্ধ জুটমিল খোলায় চাহিদা বেড়েছে পাটের, দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খুশি চাষি

অন্য বছরের তুলনায় এবার পাটের দাম অনেকটাই বেশি। ফলে পাট চাষ করে লাভের মুখ দেখার আশায় খুশি নদীয়ার পাটচাষিরা।

বন্ধ জুটমিল খোলায় চাহিদা বেড়েছে পাটের, দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খুশি চাষি
  • ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, তেহট্ট: অন্য বছরের তুলনায় এবার পাটের দাম অনেকটাই বেশি। ফলে পাট চাষ করে লাভের মুখ দেখার আশায় খুশি নদীয়ার পাটচাষিরা। গত কয়েক বছর ধরে যেখানে চাষিরা কুইন্ট্যাল প্রতি সাড়ে পাঁচ হাজার থেকে ছ’হাজার টাকা দাম পেয়েছেন, সেখানে এবার ভালো মানের পাটের দাম উঠছে ১২,২০০ থেকে ১৩,৫০০ টাকা পর্যন্ত। পাট ব্যবসায়ীদের মতে, বাইরে থেকে বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে পাটের জোগান না আসায় স্থানীয় পাটের চাহিদা বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেশ কয়েকটি জুটমিল খুলেছে এই সরকারের আমলে। তারই প্রভাব পড়েছে দামে। স্থানীয় চাষিদের সূত্রে জানা গিয়েছে, নদীয়া জেলার অন্যতম অর্থকরী ফসল পাট। পাট বেচেই বহু চাষি সংসারের খরচ মেটানোর পাশাপাশি পরবর্তী মরশুমের চাষের পুঁজি জোগাড় করে থাকেন। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে পাটের দাম আশানুরূপ না থাকায় চাষিদের একাংশ পাট চাষ থেকে মুখ ফেরাতে শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ, উৎপাদন খরচ বাড়লেও সেই অনুপাতে পাটের দাম বাড়েনি। তার উপর বাইরে থেকে কম দামে পাট আসায় স্থানীয় পাটের বাজারেও প্রভাব পড়েছিল।

Advertisement

চাষিদের দাবি, বিশেষ করে বাংলাদেশের পাট তুলনামূলক কম দামে বাজারে আসায় স্থানীয় পাটের চাহিদা কমে গিয়েছিল। বাংলাদেশে উন্নত মানের পাট উৎপাদন হওয়ায় মিল মালিকদের একাংশ কম দামে সেই পাট কিনতেন। ফলে স্থানীয় পাট কিনতে তুলনামূলক বেশি দাম দিতে হওয়ায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহও কম ছিল। এবার সেই জোগান না থাকায় স্থানীয় পাটের চাহিদা বেড়েছে। চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দামও। এলাকার পাটচাষি দয়াল মণ্ডল বলেন, চাহিদা থাকায় ভাল মানের পাটে সাড়ে আট হাজার টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে। জেসিআইকে দেওয়ার তুলনায় বাইরে বিক্রি করলে অনেক সময় বেশি দাম মিলছে। এই দাম বজায় থাকলে পাট চাষ করে আমরা লাভের মুখ দেখব। পাট ব্যবসায়ী কালু মণ্ডল বলেন, এবার স্থানীয় পাটের চাহিদা বেড়েছে। চাহিদা বাড়লে দাম বাড়াটাই স্বাভাবিক। আমরা যে দামে পাট কিনছি, সেই তুলনায় বিক্রিও হচ্ছে ভাল দামে। চাষিদের আশা, পাটের বর্তমান বাজারদর বজায় থাকলে চাষে আগ্রহও বাড়বে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ