নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: নোট বাতিলের সময় বলা হয়েছিল ভারতে ডিজিটাল ইকনমিকে শক্তিশালী করার জন্য এই সিদ্ধান্ত। যথাসম্ভব কম নগদ টাকার লেনদেন হবে এবার থেকে। সেই ঘোষণা ও প্রতিশ্রুতির ১০ বছর পর নগদ লেনদেন এবং বাজারে নগদ টাকার পরিমাণ এক ধাক্কায় অনেক বেড়ে গিয়েছে। ২০১৬ সালে যখন নোটবাতিলের ঘোষণা করা হয়েছিল, সেই সময় বাজারে মোট নোটের লেনদেনের অর্থমূল্য ছিল ১৭.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা। ২০২৬ সালের জুলাই মাসে দেশে বাজারে যে নগদের লেনদেন হয়েছে তার অর্থমূল্য ৪১ লক্ষ কোটি টাকা। অর্থাৎ আড়াই গুণ বেশি। বস্তুত মূলত গ্রামীণ ভারতে ডিজিটাল ছেড়ে আবার নগদের প্রবণতা বেড়েছে। সম্প্রতি সেকথা স্বয়ং রিজার্ভ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরও বলেছেন। কিন্তু রিজার্ভ ব্যাংকের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, যে হারে ইউপিআই লেনদেন বাড়ছে এবং যে হারে নগদ টাকায় লেনদেন বাড়ছে, এই দুইয়ের মধ্যে ফারাক ক্রমশই কমে যাচ্ছে।



