Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চাহিদা কমেছে মোমবাতির, উৎসব মরশুমেও চিন্তায় কারখানার কর্মীরা

শুরু হয়ে গিয়েছে উৎসবের মরশুম। চলছে দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন। রংবাহারি আলোয় সেজে উঠবে এলাকা। মূলত কালীপুজোয় মোমবাতির ব্যবহার হলেও দুর্গাপুজোয় চাহিদা থাকে যথেষ্ট।

চাহিদা কমেছে মোমবাতির, উৎসব মরশুমেও চিন্তায় কারখানার কর্মীরা
  • ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: শুরু হয়ে গিয়েছে উৎসবের মরশুম। চলছে দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন। রংবাহারি আলোয় সেজে উঠবে এলাকা। মূলত কালীপুজোয় মোমবাতির ব্যবহার হলেও দুর্গাপুজোয় চাহিদা থাকে যথেষ্ট। তাই পুজোর প্রাক্কালে মোমবাতি তৈরির কারখানায় বেড়েছে ব্যস্ততা। কারণ এখন থেকেই বাজারজাত করা শুরু হয় মোমবাতি। তবে আগের তুলনায় মোমবাতির চাহিদা এবার এক ধাপে অনেকটা কমে গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবে চিন্তিত কারখানা কর্মীরা। অনেক মোমবাতি তৈরি করে প্যাকেটজাত করা হয়েছে। অপেক্ষা শুধু বিক্রির। 

Advertisement

কারখানা কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, সারাবছর মোমবাতি তৈরি হয়। তবে কাজের চাপ বাড়ে বিশ্বকর্মা পুজোর আগে থেকেই। এ বছরও সেই কাজ শুরু হয়েছে। বাজারে রকমারি আলো থাকলেও গড়িমা বজায় রাখতে রঙিন মোমবাতির ব্যবহার রয়েছে। দক্ষ কারিগররা প্রথমে একটি ছাঁচের মধ্যে সাদা রঙের সুতলি দিয়ে দেন। সেটি মোমবাতির সলতে। সুতলি পরানো হয়ে গেলে ছাঁচ বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপর উপরের ফাঁকা অংশ দিয়ে ভিতরে ঢালা হয় গরম তরল মোম। কিছুক্ষণ রেখে দিলে মোম জমে শক্ত হয়ে মোমবাতি হয়ে যায়। এরপর সেই সমস্ত মোমবাতি প্যাকেটজাত করে বাজারে বিক্রি করা হয়। 
হাবড়ার মছলন্দপুরে রয়েছে মোমবাতি তৈরির কারখানা। পুজোর মরশুমে ভিন রাজ্যে প্রায় ২০ টন মোমবাতি পাঠান ব্যবসায়ীরা। কিন্তু, এবার মাত্র ২ টন গিয়েছে। কারখানার মালিক প্রকাশ দাস বলেন, আমার কারখানা মছলন্দপুরের স্টেশনের পাশে। সারাবছর মোমবাতি তৈরি হয় ঠিকই, কিন্তু পুজোর সময় একটু চাপ বাড়ে। গতবারের তুলনায় এবার চাহিদা তুলনামূলক কম। তাই মোমবাতির দামও আগের থেকে একটু বাড়াতে হয়েছে। একদিকে জমা জলের কারণে আমাদের মোমের কাজ করতে সমস্যা, অন্যদিকে চাহিদাও নেই। কারখানায় অনেক মহিলা কাজ করেন। এবারে ওদের রোজগারও কম। অন্যদিকে, কারখানার কর্মী মিতা বিশ্বাস, শিলা সরকার বলেন, এবার কাজ হচ্ছে, কিন্তু চাহিদা কম। আগের তুলনায় চাহিদা কিছুটা কমেছে বিদেশি আলোর জন্য। তবুও আমরা এই বছর আশায় রয়েছি। আমাদের ভালো লাগে যখন দেখি আমাদের হাতের তৈরি মোমবাতি গ্রাম, শহরকে আলোকিত করছে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ