Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ক্যালেন্ডারের চাহিদা তুঙ্গে, নববর্ষের বাজার ঘিরে খুশি ব্যবসায়ীরা

গত বছরের তুলনায় এবার বড়বাজারে নববর্ষের ক্যালেন্ডারের চাহিদা অনেকটাই ভালো। এতে খুশি এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত লোকজনেরাও।

ক্যালেন্ডারের চাহিদা তুঙ্গে, নববর্ষের বাজার ঘিরে খুশি ব্যবসায়ীরা
  • ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:০৪
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত বছরের তুলনায় এবার বড়বাজারে নববর্ষের ক্যালেন্ডারের চাহিদা অনেকটাই ভালো। এতে খুশি এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত লোকজনেরাও। বড়বাজারের ক্যালেন্ডার পট্টিতে গিয়ে দেখা গেল, সেখানে বিভিন্ন দোকানে বরাত দেওয়া ছাপানো ক্যালেন্ডার বান্ডিল করে রাখা। বিভিন্ন জায়গা থেকে ব্যবসায়ীরা এসে সেই বরাত দেওয়া ক্যালেন্ডার নিয়ে যাচ্ছেন। আড়াইশো, তিনশো, আবার পাঁচশো করেও ক্যালেন্ডারের অর্ডার দিয়েছিলেন তাঁরা। আবার কোথাও কোথাও বান্ডিল করা ক্যালেন্ডার বিভিন্ন ট্রান্সপোর্ট সংস্থার মাধ্যমেও যাচ্ছে। 

Advertisement

বড়বাজারের ব্যবসায়ীরা জানালেন, এবার বরাতের মধ্যে বেশি রয়েছে দেবদেবীর পাশাপাশি বিভিন্ন মনীষীদের ছবি দেওয়া ক্যালেন্ডার। 
কথা হচ্ছিল হাওড়ার আমতা থেকে আসা জামা‑কাপড় ব্যবসায়ী সমরেশ দাশগুপ্তের সঙ্গে। তিনি বলেন, গত বছর ৪০০ ক্যালেন্ডারের বরাত দিয়ে ছিলাম। কিন্তু এবার ৫০০ ক্যালেন্ডারের বরাত দিয়েছি। অনেক খদ্দের নববর্ষের পরেও এসে দোকানে ক্যালেন্ডার চেয়ে থাকেন। এই বিষয়টা চলে অক্ষয় তৃতীয়া পর্যন্ত। তাই এবার কিছুটা বরাত বাড়িয়েছি।
কলকাতার বিধান সরণির এক খাতা, পেন ব্যবসায়ী সূর্যকান্ত সাহা বলেন, আগেরবার মাঝারি সাইজের ক্যালেন্ডার করেছিলাম। খরচা বেশি পড়েছে, কিন্তু এবার একটু বড় সাইজের ক্যালেন্ডার করেছি। আমাদের দোকানে হালখাতা হয় না। যে সমস্ত খদ্দের বছরের বিভিন্ন সময় খাতা‑পেন কিনে থাকেন, মূলত তাঁদের জন্যই এই ক্যালেন্ডার করা হয়ে থাকে। বড়বাজারের আর এক ক্যালেন্ডার ব্যবসায়ীর সঞ্জয় শর্মার দোকানে কথা হল মিনতি সাতঁরার সঙ্গে। বেলঘড়িয়ার ফিডার রোডের বাসিন্দা ওই মহিলা বলেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে জামা‑কাপড় বিক্রি করি। প্রতি বছর নববর্ষের দিন খরিদ্দারদের বাড়িতে গিয়ে ক্যালেন্ডার ও মিষ্টির বাক্স গিয়ে দিয়ে আসি। তাতে কিছু বকেয়া টাকাও উঠে আসে।

সম্পর্কিত সংবাদ