নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: ঝাঁ চকচকে বিশ্ববাংলা সরণি। গাড়ির গতিবেগ সাধারণত থাকে ৫০-৬০ কিমি। কিন্তু নিউটাউনে বিশ্ববাংলা সরণির একাধিক জায়গায় তৈরি হয়েছে গর্ত। ফলে গাড়ি ও বাইক চালকরা রোজই পড়েন সমস্যায়। মসৃণ রাস্তার মাঝখানে গর্ত তৈরি হয়েছে। তা দূর থেকে চোখে পড়ে না কারও। ফলে না দেখতে পেয়ে গর্তে চাকা পড়ে। চারচাকা গাড়ি সামলে নিলেও দু’চাকা যে কোনো সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে বলে বাড়ছে আশঙ্কা। নিউটাউনের বাসিন্দাদের অভিযোগ, কলকাতা থেকে এয়ারপোর্টগামী হাজার হাজার গাড়ি ও বাইক রোজ এই সমস্যার মুখে পড়ছে। বর্ষার সময় স্থায়ী মেরামত না হলেও প্যাচওয়ার্ক করে গর্ত ভরাট করার প্রয়োজন। কলকাতা থেকে এয়ারপোর্ট যেতে যোগাযোগের দু’টি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হল ভিআইপি রোড এবং বিশ্ববাংলা সরণি। ভিআইপি রোডে গাড়ির চাপ বেশি থাকায় অনেকে বিশ্ববাংলা ধরে যাতায়াত করেন। কয়েক হাজার আইটি কর্মী প্রতিদিন যাতায়াত করেন ওই রাস্তা দিয়ে। নিউটাউনের মূল সড়ক হল বিশ্ববাংলা সরণি। রাস্তার বেশিরভাগ অংশই ভালো। কিন্তু বহু জায়গায় তৈরি হয়েছে ছোট-বড়ো অসংখ্য গর্ত। তাতেই বিপদ বাড়ছে। পথচারীদের বক্তব্য, রাস্তার পুরোটা খারাপ হলে চালকরা সচেতন হতে পারেন। ধীরে গাড়ি বা বাইক চালাতেন। কিন্তু বেশিরভাগ জায়গায় রাস্তা ভালো। ফলে গতি বাড়িয়ে সকলে ছুটছেন। আর হঠাৎ করে গিয়ে পড়ছেন গর্তে। আকাঙ্খা মোড় থেকে বিশ্ববাংলা গেটের দিকে যাওয়ার লেনে একাধিক গর্ত তৈরি হয়েছে। নির্মীয়মাণ মেট্রো স্টেশনের সামনে দাঁড়িয়ে অন্বেষণ সাহা নামে এক যুবক বলেন, দিনের বেলায় গর্তগুলো তাও চোখে পড়ে। সন্ধ্যার পর কিছু দেখা যায় না। বৃষ্টি হলে একই অবস্থা হয়। সার্ভিস রোড, ব্লকের ভিতরের রাস্তা খারাপ। মূল রাস্তা না হওয়ায় সেখানে বিপদ কম। কিন্তু মূল রাস্তার গর্তগুলি কার্যত মরণফাঁদ। যে কোনো মুহূর্তে বড়ো বিপদ ঘটতে পারে। সকালে এবং রাতে গাড়ি ও বাইকের গতি বেশি থাকে। প্রশাসনের দাবি, বর্ষার সময় গর্ত ভরাট করতে প্যাচওয়ার্ক করা হয়। ইতিমধ্যেই পুলিশের তরফে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে জানানো হয়েছে। -নিজস্ব চিত্র



