দিল্লি: লোকেশ রাহুলের ব্যর্থতার দিনে জ্বলে উঠলেন সঞ্জু স্যামসন। মঙ্গলবার কোটলায় দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে জেতার জন্য চেন্নাই সুপার কিংসের প্রয়োজন ছিল ১৫৬। সঞ্জুর অপরাজিত ৮৭ রানের সুবাদে ১৫ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছাল হলুদ জার্সিধারীরা। ৫২ বলে সাতটি চার ও ছয়টি ছক্কা হাঁকান ডানহাতি ওপেনার। টার্গেট আর একটু বেশি হলে নিশ্চিতভাবেই এবারের আসরের তৃতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করতেন সঞ্জু। আট উইকেটে এই জয়ে বড়ো অবদান থাকল কার্তিক শর্মারও। ৩১ বলে ৪১ রানে নট আউট থাকেন তিনি। অবিচ্ছিন্ন তৃতীয় উইকেটে ৬৬ বলে সঞ্জু-কার্তিক যোগ করেন ১১৪। এই জুটির দাপটেই ১৭.৩ ওভারে দু’উইকেট খুইয়ে ১৫৯ তোলে চেন্নাই। ১০ ম্যাচে তাদের পকেটে এখন ১০ পয়েন্ট। সমসংখ্যক ম্যাচে ৮ পয়েন্টেই থাকল দিল্লি।
চলতি মরশুমে রাজধানীর ফ্র্যাঞ্চাইজিকে একাই টানছেন রাহুল। সুপার কিংসের বিরুদ্ধেও তিনিই ছিলেন বড়ো ভরসা। কিন্তু আকিল হোসেনকে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে মারতে গিয়ে ফ্লাইটে পরাস্ত তিনি (১২)। সেই ধাক্কা সামলানো যায়নি। ১১ ওভারে ৬৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল অক্ষর প্যাটেল ব্রিগেড। রাহুল ছাড়াও আউট পাথুম নিশাঙ্কা (১৯), করুণ নায়ার (১৩), নীতীশ রানা (১৫) ও অক্ষর (২)। ক্যাপ্টেনের অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়। এই আসরে দশ ইনিংসে অক্ষরের সংগ্রহ মাত্র ৩৩! অথচ, গত তিন মরশুমে প্রতিটিতেই দুশো প্লাস করেছেন তিনি। স্টাবস (৩৮) ও ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার সমীর রিজভি (২৪ বলে অপরাজিত ৪০) না লড়লে দিল্লির দুর্দশা বাড়ত। প্রথমে ব্যাট করে ক্যাপিটালস শেষ পর্যন্ত তোলে ১৫৫-৭। চেন্নাইয়ের দুই স্পিনার আকিল হোসেন ও নুর আহমেদ মিলে মোট ৭ ওভারে মাত্র ৪১ রানে নেন ৩ উইকেট। তাড়াতাড়ি ডাগ আউটে ফিরলেও রাহুল অবশ্য এদিন ফের দখল করলেন অরেঞ্জ ক্যাপ। তাঁর (৪৪৫) পর রয়েছেন যথাক্রমে অভিষেক শর্মা (৪৪০), হেনরিখ ক্লাসেন (৪২৫), বৈভব সূর্যবংশী (৪০৪)। সঞ্জু (৪০০) উঠে এলেন পাঁচে।