নয়াদিল্লি: হেলায় দিল্লিকে হারাল বেঙ্গালুরু। সোমবার কোটলায় অক্ষর প্যাটেল ব্রিগেডকে ৯ উইকেটে দুরমুশ করল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৭৫ রানে গুটিয়ে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। ১৬.৩ ওভারে দাঁড়ি পড়ে হোমটিমের ইনিংসে। জস হ্যাজলউড (৪-১২) ও ভুবনেশ্বর কুমার (৩-৫)— নতুন বলে দুই পেসারের আগুনে স্পেলে বিধ্বস্ত হয় দিল্লি। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার অভিষেক পোড়েল (৩০) কিছুটা লড়াই চালালেন। দলের আর কেউ কুড়ি পেরোননি। জবাবে ৬.৩ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (৭৭-১)। জেকব বেথেল (২০) আউট হলেও দলকে জিতিয়ে ফেরেন বিরাট কোহলি (২৩) ও দেবদত্ত পাদিক্কাল (৩৪)। ৮১ বল বাকি থাকতে এই দাপটে জয়ের সুবাদে নেট রান রেটও বাড়িয়ে রাখল আরসিবি। আট ম্যাচে রজত পাটীদারের দলের পয়েন্ট দাঁড়াল ১২। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তারা। অন্যদিকে, আট ম্যাচে ৬ পয়েন্টেই আটকে থাকল দিল্লি।
কার্যত, চার ওভারের মধ্যেই বেঙ্গালুরুর জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। ৩.৫ ওভারে ৮ রানে ছয় উইকেট পড়ে যায় তাদের। ফিরে যান অভিষেককারী সাহিল পরখ (০), লোকেশ রাহুল (১), সমীর রিজভি (০), ট্রিস্টান স্টাবস (৫), অক্ষর প্যাটেল (০) ও নীতীশ রানা (১)। ভুবি ও হ্যাজলউডের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেন রাহুলরা। পাওয়ার প্লে’র শেষে দিল্লির স্কোর ছিল ১৩-৬। সম্পূর্ণ হওয়া আইপিএলের ম্যাচে কোনো দলের এটাই সর্বনিম্ন রান। তখন মনে হচ্ছিল কোটিপতি লিগে সর্বনিম্ন রানের লজ্জার (৪৯) রেকর্ড ভেঙে দিতে চলেছে দিল্লি। তবে অভিষেকের ব্যাটে সেই লজ্জা অবশ্য এড়ায় তারা।
এদিকে, এদিন তিন উইকেটের সুবাদে পার্পল ক্যাপের মালিক হলেন ভুবনেশ্বর। অংশুল কম্বোজ ও এশান মালিঙ্গার পাশাপাশি তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ১৪ উইকেট। তবে ভালো অ্যাভারেজের সুবাদে আপাতত পার্পল ক্যাপ ভুবির দখলে। তিনি বলেন, ‘বল সুইং করছিল শুরুতে। আমরা অবাকই হয়েছিলাম। এর ফায়দা নেওয়াই ছিল লক্ষ্য। বয়স বাড়ছে, এই গরমে তাই চতুর্থ ওভার করতে চাইনি।’ একইসঙ্গে এদিন আইপিএলে ৯ হাজার রান পূর্ণ করলেন বিরাট কোহলি।