জয়পুর: জমে উঠেছে আইপিএল। শুরু হয়ে গিয়েছে সাপ লুডোর খেলা। প্লে-অফের দৌড়ে দারুণভাবে রয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। রিয়ান পরাগের নেতৃত্বে ন’টি খেলে ছ’টিতে জিতে আপাতত পয়েন্ট তালিকায় চতুর্থ স্থানে মরুরাজ্যের দলটি। শুক্রবার রাজস্থান ঘরের মাঠে খেলবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে। জিততে পারলে প্রথম দু’টি স্থানের মধ্যে জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ। উলটোদিকে, দিল্লি ধুঁকছে। গত ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে ৭৫ রানে গুটিয়ে যাওয়ার ধাক্কা অক্ষর প্যাটেলরা কতটা কাটিয়ে উঠতে সফল হয়েছেন, সেটাই দেখার।
রাজস্থানের ব্যাটিং খুবই শক্তিশালী। বিশেষ করে পাওয়ার প্লে’তে বৈভব সূর্যবংশী ও যশস্বী জয়সওয়াল দ্রুত গতিতে রান তোলেন। ফলে পরের দিকের ব্যাটারদের কাজটা সহজ হয়ে যায়। ৯ ম্যাচে ৪০০ রান হয়ে গিয়েছে বৈভবের। যার মধ্যে রয়েছে একটি সেঞ্চুরি ও দু’টি হাফ-সেঞ্চুরি। ১৫ বছরের বিস্ময় কিশোরই বড় কাঁটা দিল্লির। কম যান না যশস্বীও। ৯ ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ৩০৬। তবে ওপেনিং জুটি ব্যর্থ হলে সমস্যায় পড়তে পারে রাজস্থান। কারণ, ক্যাপ্টেন রিয়ান পরাগ ছন্দে নেই। ধ্রুব জুরেলের খেলায় ধারাবাহিকতার অভাব। তুলনায় ডোনোভান ফেরেইরা মিডল অর্ডারে আস্থার মর্যাদা রাখতে সফল। রাজস্থানের বোলিং বেশ গোছানো। নতুন বলে দুই বিদেশি পেসার জোফ্রা আর্চার ও নানদ্রে বার্গার চাপ তৈরি করবেন দিল্লির ব্যাটারদের উপর। স্পিন অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে সাফল্য তুলে নিচ্ছেন।
অন্যদিকে, গত ম্যাচে আরসিবি’র কাছে ৯ উইকেটে হেরে প্রবল চাপে দিল্লি ক্যাপিটালস। প্লে-অফের লড়াইয়ে দ্রুত জয়ের সরণিতে ফেরা জরুরি। তার জন্য প্রথম একাদশে বেশ কিছু পরিবর্তন হতে পারে। তবে ব্যাটিংয়ে লোকেশ রাহুলই বড় ভরসা। ওপেনিংয়ে তাঁর সঙ্গী হতে পারেন সাহিল পারেখ। একই সঙ্গে পৃথ্বী সাউও চর্চায়। তিনে নীতীশ রানা ও চারে সমীর রিজভির খেলার সম্ভাবনা বেশি। মিডল অর্ডারে ট্রিস্টান স্টাবস ও ডেভিড মিলারের মতো মারকুটে ব্যাটার আছেন, যাঁরা দ্রুত বদলে দিতে পারেন ম্যাচের রং।
চোট সারিয়ে খেলতে পারেন মিচেল স্টার্ক। ফলে বোলিংয়ে শক্তি বাড়বে দিল্লির। সেক্ষেত্রে কাইল জেমিসন বাদ পড়বেন। দুষ্মন্ত চামিরা এবং টি নটরাজন হতে পারেন স্টার্কের সঙ্গী। স্পিন অলরাউন্ডার ও ক্যাপ্টেন অক্ষর প্যাটেলের সঙ্গে কুলদীপ যাদবও খেলতে পারেন।