Bartaman Logo
১৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দু’টি ইভিএমে প্রার্থী খুঁজতে দেরি, স্লো ভোটিংয়ে বিরক্তি

ঘটকপুকুর হাইস্কুল, নওয়াবাদ এফপি স্কুল, নলমুড়ি এফপি স্কুল সহ একাধিক ভোটকেন্দ্রে একটাই ছবি। মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে লম্বা লাইন।

দু’টি ইভিএমে প্রার্থী খুঁজতে দেরি, স্লো ভোটিংয়ে বিরক্তি
  • ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সৌম্যজিৎ সাহা, ভাঙড়; ঘটকপুকুর হাইস্কুল, নওয়াবাদ এফপি স্কুল, নলমুড়ি এফপি স্কুল সহ একাধিক ভোটকেন্দ্রে একটাই ছবি। মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে লম্বা লাইন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়ানোর পর মিলেছে ভোটকক্ষে ঢোকার সুযোগ। কেউ সকাল ৮টায় লাইনে দাঁড়িয়ে সাড়ে ৯টায় ভোট দিতে পেরেছেন, কেউ আবার দু’ঘণ্টা অপেক্ষা করে ভিতরে প্রবেশ করেছেন। ফলে স্লো ভোটিংয়ে জেরবার ভাঙড়ের ভোটাররা। বিরক্তি প্রকাশ করলেও কেউই বুথ ছেড়ে বাড়ি ফিরে যাননি। কিন্তু কেন এত শ্লথ গতিতে ভোটদান চলল, সেই কারণ অবশ্য পরিষ্কার হয়নি শুরুতে। কিন্তু বেলার দিকে ধীরে ধীরে রহস্য উন্মোচিত হয়। 

Advertisement

এই বিধানসভায় ১৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ফলে দু’টি ইভিএম রাখা হয়েছে। পছন্দের প্রার্থী খুঁজে বের করতেই ভোটারদের লেগে যাচ্ছে অতিরিক্ত সময়। যেকারণে থমকে গিয়েছে গতি। ভোটারদের কথায়, দু’টি ইভিএম দেখে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম। প্রার্থীর নাম খুঁজে বের করতে অসুবিধা হচ্ছিল। আবার কারও দাবি, এত প্রার্থীর ভিড়ে পছন্দসই নামটাই যেন হারিয়ে গিয়েছিল। তাই খুঁজতে সময় লেগেছে। প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর যে ভোটদানের হার প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন, তাতে স্পষ্ট যে, শুরুর দিকে অত্যন্ত ধীর গতিতে ভোট পড়েছে। প্রথম দু’ঘণ্টায় ভাঙড়ে ভোট পড়েছিল ১৫ শতাংশের কাছাকাছি। ভাঙড়ে সেই ট্রেন্ড অবশ্য দিনভর বজায় থাকল। কবিরুল মোল্লা নামের এক ভোটার বলেন, ভোটকক্ষে ঢুকে দু’টি ইভিএম দেখে চোখ ধাঁধিয়ে গিয়েছিল। রবিউল মোল্লা নামের আরেক ভোটারের বক্তব্য, বেশিরভাগ প্রার্থীর নামই রয়েছে একটি ইভিএমে। এত নির্দল প্রার্থীর মাঝে যেন সংশ্লিষ্ট দলের প্রার্থীকে খুঁজে বের করা কঠিন।
জোড়া ইভিএমের কারণে ভোটারদের বিভ্রান্তি দূর করতে বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকে ভোটারদের সচেতন করা হয়েছিল। কিন্তু ভোটের দিন অনেকেই দু’টি ইভিএম দেখে ঘাবড়ে যান। এই কেন্দ্রের যখন বেশিরভাগ বুথে ধীরগতিতে ভোট এগিয়েছে। তখন ব্যতিক্রম ছিল ভাঙড়ের মডেল বুথ। ভাঙড় হাইস্কুলে এই বুথে দুপুর ১টার মধ্যেই ৬০ শতাংশ ভোটদান সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ