ওয়াশিংটন: ভাঙবেন। তবু মচকাবেন না। চলতি মেয়াদের আগামী দু’বছর এই নীতিই নিতে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যবর্তী নির্বাচনের খারাপ ফলের জেরে মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন তিনি। এই অবস্থায় তাঁর নীতিগুলি রূপায়ণের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, ট্রাম্প গৃহীত কর, অভিবাসন এবং বিদ্যুৎ বিষয়ক নীতিগুলিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে ডেমোক্র্যাট শিবির। আর এগুলিকেই কার্যকর করতে সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পিছপা হবেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মার্কিন কংগ্রেসের দুই কক্ষেই রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পর
আক্ষরিক অর্থেই এখন ‘লেম
ডাক’ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তবে ডেমোক্র্যাটদের সব প্রচেষ্টা বানচাল করে দিতে ট্রাম্প সক্ষম হবেন বলে আশাবাদী হোয়াইট হাউস।
তবে ট্রাম্পের উপর ঘরে বাইরে চাপ ক্রমশ বাড়ছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণেই যে এই নির্বাচনি বিপর্যয়, তা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভান্স। এব্যাপারে প্রশ্নের উত্তরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটা ঠিক। স্বল্প মেয়াদে এর ফলে গ্যাসোলিনের দাম বেড়ে যায়।’ তবে যুদ্ধের দায় ঝেড়ে ফেলতে মরিয়া ট্রাম্প এখন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথকে সরানোর পরিকল্পনা করছেন। সূত্রের খবর, উপদেষ্টাদের সঙ্গে এই নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন ট্রাম্প।
বুধবার ফল বেরনোর পরেই তড়িঘড়ি বিবৃতি জারি করে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ‘প্রেসিডেন্সির শেষ দু’বছরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যা করেছেন, তা বদলের চেষ্টা করবে ডেমোক্র্যাটরা। তবে তারা ব্যর্থ হবে।’ কারণ হিসাবে বলা হয়েছে, ‘মার্কিন জনতা আগেই এই সব প্রচেষ্টা বাতিল করেছে।’ ট্রাম্পের ভাবমূর্তি বাঁচানোরও চেষ্টা হয়েছে বিবৃতিতে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ‘লড়াই কখনও থামাবেন না প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।’



