নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে প্রায় ৭০০টি সরকারি পুরনো বাস বাতিল হতে চলেছে। এসবিএসটিসি এবং এনবিএসটিসির অধীনে থাকা বাসগুলি বহু আগেই ‘আনফিট’ হয়ে গিয়েছে। তারপরও এতদিন ঝুঁকি নিয়ে চলছিল। বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পুরনো হয়ে গিয়েছে। এছাড়া ইঞ্জিনেরও সেই জোরও নেই। যেখানে সেখানে বাস অচল হয়ে যাচ্ছে। যাত্রীরা সমস্যায় পড়ছেন। মাঝ রাস্তায় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর অন্য বাস ধরে গন্তব্যে পৌঁছতে হচ্ছে। এ নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছিল। সরকার তাই ধাপে ধাপে বাসগুলি বাতিল ঘোষণা করতে উদ্যোগী হয়েছে। তবে, যাত্রীদের অসুবিধা না হয় তারজন্য নতুন বাস নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যাত্রীরা বলছেন, নতুন বাস না দিয়ে পুরনোগুলি বাতিল করে দেওয়া হলে দুর্ভোগ বাড়বে। এমনিতে বাসে মহিলাদের ভাড়া না নেওয়ায় যাত্রী সংখ্যা অনেক বেড়েছে। সিট পেতে পুরুষদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অতিরিক্ত বাস চালিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া দরকার। এক আধিকারিক বলেন, কর্মী সংকটও রয়েছে। প্রয়োজনীয় কনডাক্টর বা চালক নেই। সরকার কর্মী নিয়োগ না করলে সমস্যা দূর করা কঠিন হবে। এদিকে, বিনামূল্যে বাসে চড়ার জন্য মহিলা যাত্রীদের পিঙ্ক কার্ড দেওয়ার কাজ পুজোর পরই শুরু হবে। উৎসবের মরশুমে যাত্রীরা যাতে সমস্যায় না পড়েন, সেই দিকটাও দেখা হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
আলিশা বাসস্ট্যান্ডে বাসের জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন সৌম্যজিৎ মেটে। তিনি বলেন, আসানসোল, দুর্গাপুর বা বর্ধমান ডিপো থেকে যেসব বাস ছাড়ে, সেগুলির অবস্থা তবুও একটু ঠিক রয়েছে। কিন্তু সিউড়ি বা লালগোলাগামী বাসগুলির অবস্থা সঙ্গীন। সিটের অবস্থা বেহাল হওয়ায় বসে থাকতে সমস্যা হয়। তাছাড়া বাসগুলিতে অনেক বেশি ঝাঁকুনি হয়। যাত্রীরা সব সময় আশঙ্কাতেই থাকে। এই বাসগুলি দ্রুত বাতিল করে দেওয়া উচিত।