Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

স্বাস্থ্য ও জীবনবিমার প্রিমিয়ামে জিএসটি ছাড় নিয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলেই

স্বাস্থ্য ও জীবনবিমার প্রিমিয়ামে জিএসটি ছাড় নিয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলেই
  • ১৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি:  নীতীন গাদকারি অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে চিঠি লিখেছিলেন গত বছরের ২৮ জুলাই। সেই চিঠির প্রতিপাদ্য ছিল, স্বাস্থ্য ও জীবনবিমায় প্রিমিয়ামের  উপর থেকে জিএসটি কমানো হোক। তাঁর দাবি ছিল,  শূন্য করে দেওয়া হোক জিএসটি। গাদকারির এই দাবিকে সমর্থন জানায় তামাম বিরোধী দল। তারা ওই দাবিতে সংসদেও সরব হয়। কয়েকমাস পরই জানা যায়,  জিএসটি কাউন্সিলে এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। কিন্তু এখনও এই সিদ্ধান্ত হয়নি। বরং জানা যাচ্ছে, স্বাস্থ্য বিমা দিতে গিয়ে নাজেহাল সাধারণ মানুষের পুরোপুরি রেহাই মিলবে না। বর্তমানে ১৮ শতাংশ হারে জিএসটি দিতে হয়। করের এই বোঝা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের আশা সম্ভবত পূরণ হচ্ছে না। এখন জিএসটির হার কমে ৫ না কি ১২ শতাংশ করা হতে পারে, তা নিয়েই চলছে টানাপোড়েন। 

Advertisement

মে অথবা জুন মাসের জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে এই নিয়ে আলোচনা হবে। সিদ্ধান্ত হবে তখন। অর্থাৎ গাদকারির চিঠি লেখার পর এক বছর পর হয়ত সিদ্ধান্ত ঘোষিত হবে। রাজ্য ও কেন্দ্র-কোনও পক্ষই এক ধাক্কায় জিএসটি বাবাদ আয় অনেকটাই কমে যাক এটা চায় না। যদিও সিংহভাগ রাজ্য চাইছে, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমার প্রিমিয়ামে জিএসটির হার ৫ শতাংশ হোক। অর্থাৎ সর্বনিম্ন হার। অন্য অংশের অবশ্য  দাবি, এই হার ১২ শতাংশ রাখা হোক।  সেইসঙ্গে  ইনপুট ট্যাক্স অর্থাৎ ওই কর যাতে আবার সরকারের থেকে ফেরৎ পাওয়া যায়, সেই সুবিধা দেওয়া হোক।
বিরোধীরা অবশ্য এক্ষেত্রে জিএসটির হার শূন্য করার দাবি জানিয়েছে। কারণ স্বাস্থ্য ও জীবন বিমার প্রিমিয়াম ও সারেন্ডার ভ্যালু ক্রমেই মধ্য঩বিত্তের হাতের বাইরে চলে গিয়েছে। এর জেরে বিগত তিন বছরে এই দুই বিমা বন্ধের প্রবণতা প্রচুর বেড়েছে।জীবন বিমার সঙ্কট আগেই এসেছে। বিগত বছর থেকে স্বাস্থ্য বিমার পলিসির পরিমাণও কমছে। সবথেকে বেড়েছে মাঝপথে পলিসি বন্ধ করে দেওয়া।  কারণ প্রতি বছর অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে স্বাস্থ্য বিমার প্রিমিয়াম। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ