নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: গত ২৭ ফেব্রুয়ারি নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের সম্মেলন থেকে দলীয় কর্মীদের ভুয়ো ভোটার খোঁজার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নির্দেশ পাওয়ার পর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভুয়ো ভোটার খুঁজতে নেমেছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। এবার গাড়ুলিয়া পুরসভা অঞ্চলে বহু ভুয়ো ভোটারের হদিশ মিলল। এই এলাকাটি নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। মৃতের নাতি রাহুল পাসোয়ান বলেন, দাদু ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মারা গিয়েছেন। অথচ তাঁর নাম এখনও ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। বিজেপির বারাকপুর জেলার সম্পাদক তথা গাড়ুলিয়ার বাসিন্দা কুন্দন সিংয়ের অভিযোগ, নতুন ভোটার তালিকায় গাড়ুলিয়া পুর অঞ্চলের বহু মৃত ব্যক্তির নাম এখনও রয়ে গিয়েছে। তাছাড়া যাঁরা এখান থেকে পাকাপাকিভাবে চলে গিয়েছেন, তাঁদের নামও তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। তাঁর দাবি, প্রতিটি ওয়ার্ডে গড়ে ৮০ থেকে ৯০ জন মৃত ভোটারের নাম তালিকায় রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ডে গড়ে ২০০ থেকে ২৫০ জন অন্যত্র চলে গিয়েছেন, তাঁদের নামও থেকে গিয়েছে তালিকায়। তাঁর অভিযোগ, বুথে জাল ভোটার ঢুকিয়ে ভুয়ো নামেই ভোট করান শাসকদলের ভোট ম্যানেজাররা। অন্যদিকে, গাড়ুলিয়া শহর তৃণমূলের সভাপতি গৌতম দত্ত বলেন, ভোটার তালিকা থেকে এখনও মৃতদের নাম বাদ দেওয়া হয়নি। তাঁর অভিযোগ, একজনের ভোটারের নাম তিন-চার জায়গায় রয়েছে। বিহার, ঝাড়খণ্ড কিংবা উত্তরপ্রদেশের ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের নাম আবার গাড়ুলিয়ার ভোটার তালিকাতেও রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ভুয়ো ভোটারের তালিকা তৈরি করে তাঁরা দলীয় নেতৃত্বের হাতে তুলে দেবেন।



