করাচি: পাকিস্তানে নিখোঁজ মূক ও বধির হিন্দু কিশোরীকে অপহরণ, বিবাহ ও ধর্মান্তরকরণের অভিযোগ। ঘটনাটি সিন্ধু প্রদেশের বাদিন জেলার। সম্প্রতি ওই কিশোরীকে প্রকাশ্যে দেখা যায়। হাতে ধর্মান্তর সংক্রান্ত শংসাপত্র। পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তার স্বামী। কিশোরীর থেকে ওই ব্যক্তি আবার বয়সে অনেকটাই বড়। নাবালিকার পরিবারের অভিযোগ, অপহরণ করে ধর্মান্তরকরণে বাধ্য করা হয়েছে।
সূত্রের খবর, ন’দিন আগে নিখোঁজ হয়ে যায় কোরওয়া শহরের বাসিন্দা ওই কিশোরী। সঙ্গে সঙ্গে থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন তার মা-বাবা। শনিবার বাদিন প্রেস ক্লাবে স্বামীর সঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয় নিখোঁজ কিশোরী। তার হাতে ছিল ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়ার শংসাপত্র। ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নাবালিকার বাবা। তাঁর দাবি, ওই ব্যক্তি একজন মাদক পাচারকারি। সাত কন্যা সন্তানের বাবা। কী করে এমন ব্যক্তিকে বিয়ে করতে রাজি হল মূক ও বধির কিশোরী? সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে কাজ করেন শিবা কাচ্চি। পুলিশের শীর্ষ অফিসারদের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের আর্জি জানিয়েছেন তিনি। শিবার কথায়,‘মনে হয় না যে মেয়েটি স্বেচ্ছায় এই কাজ করেছে। আমরা উকিলের সঙ্গে কথা বলেছি। আইনি পথে সুরাহার চেষ্টা করব।’