সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: শনিবার রাতে পাশের গ্রামে ছিল কালীপুজো। সেই পুজো দেখতে গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ মেউর (৩২)। রবিবার সকালে বাড়ি থেকে মাত্র ১৫০ মিটার দূরে খেলার মাঠ থেকে তাঁর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে আমতা থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিস এসে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য উলুবেড়িয়ার শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়েছে। এই রহস্যমৃত্যুর তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। জানা গিয়েছে, মৃতের বাড়ি আমতা থানা এলাকার গোবিন্দচক গ্রামে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি প্রসেনজিৎ শনিবার সন্ধ্যায় কাজ থেকে বাড়ি ফিরে সাইকেল নিয়ে পাশের গ্রামে যান। সেখানে কালীপুজো ছিল ওইদিন। রাতে বাড়ি না ফেরায় উৎকণ্ঠায় কাটান পরিবারের সদস্যরা। সকালে স্থানীয় বাসিন্দারাই দেহটি দেখতে পেয়ে থানা এবং ওই পরিবারকে খবর দেন। মৃতের মা মিতা মেউর বলেন, রাতে ছেলে কিছু না খেয়ে সাইকেল নিয়ে পাশের গ্রামে গিয়েছিল। এদিন সকালে স্থানীয় একজন এসে দুঃসংবাদটি দেয়। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলের মৃতদেহ দেখতে পাই। তার মাথায় ও মুখে রক্তের দাগ ছিল। সম্ভবত তাকে মারধর করা হয়েছে। কারও সঙ্গে শত্রুতা ছিল কি না, জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তেমন ঘটনা না ঘটলেও এক বছর আগে একটি পারিবারিক ঝামেলায় জড়িয়েছিল প্রসেনজিৎ। হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিসের সুপার সুবিমল পাল বলেন, খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এখনও পর্যন্ত একজনকে আটক করা হয়েছে।