Bartaman Logo
২০ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দুবরাজপুরে কাটেনি জমিজট, থমকে জাতীয় সড়কের বাইপাস তৈরির কাজ

দুবরাজপুরে কাটেনি জমিজট, থমকে জাতীয় সড়কের বাইপাস তৈরির কাজ
  • ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, সিউড়ি: জমিজটের কারণে দুবরাজপুরের জাতীয় সড়কের বাইপাস রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ রয়েছে। এই বাইপাস রাস্তার জন্য জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ জমি অধিগ্রহণ শুরু করেছে। কিছু জমিদাতাকে ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারপরও কয়েকজনের থেকে জমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে আটকে রয়েছে।
Advertisement
দুবরাজপুর শহরের ভেতর দিয়ে জাতীয় সড়ক যাওয়ায় নিত্যদিন যানজটে শহরবাসীর নাভিশ্বাস উঠেছে। সেজন্য বহুদিন ধরে এই জাতীয় সড়কের বাইপাস রাস্তা নির্মাণের দাবি রয়েছে। তাই প্রায় তিনবছর আগে এই শহরের একটি বাইপাস রাস্তা তৈরিতে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ উদ্যোগী হয়।
জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের ১২ নম্বর বিভাগের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার ভি কে সিংহ বলেন, ১২০জনের জমি নিয়ে কিছু জটিলতার কারণে আর্বিটেটরের কাছে পাঠানো হয়েছে। জমির সমস্যা সমাধান হলেই রাস্তার কাজ শুরু হবে।
রানিগঞ্জ-মোরগ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের কিছু অংশ দুবরাজপুর শহরের ভিতর দিয়ে গিয়েছে। দু’বছর আগে সেখানে একটি বাইপাস রাস্তা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী শহরের ৭, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের গা ছুঁয়ে দুবরাজপুর কোল্ড স্টোরেজ থেকে সাতকেন্দুলি অবধি বাইপাস রাস্তা তৈরির জন্য জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সমীক্ষা করে। ঠিক হয়, বেশ কিছু ফাঁকা ও বাস্তু জমি রাস্তার জন্য অধিগ্রহণ করা হবে। জমিদাতাদের মধ্যে যাঁদের ওই জমিতে আংশিক নির্মাণকাজ রয়েছে, তাঁদের স্কোয়ার ফিট প্রতি ৪০০০টাকা দেওয়া হবে। যাদের পূর্ণাঙ্গ বিল্ডিং রয়েছে, তাঁদের স্কোয়ারফিট প্রতি ৬০০০টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। কিন্তু এই ঘোষণা হতেই জমিদাতাদের একাংশ ফাঁকা জমিতে নির্মাণ শুরু করে দেয়। এজন্য পুরসভার অনুমোদনও নেওয়া হয়নি। সেই-সংক্রান্ত একটি অভিযোগ আসতেই অবৈধ নির্মাণ বন্ধ করে দেয় জেলা প্রশাসন। এই রাস্তা তৈরির জন্য প্রায় ৩১০জনের থেকে জমি নেওয়া হবে। তার মধ্যে ১৯০জনের কাছে জমি নিতে কোনও বাধা নেই। ইতিমধ্যেই ৩৬জন জমিদাতাকে ক্ষতিপূরণের টাকাও দিয়েছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ১২০জন জমিদাতার জমি নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। সেই জটিলতা তাড়াতাড়ি কাটাতে সড়ক কর্তৃপক্ষ আর্বিটেটরের দ্বারস্থ হয়েছে। জমিজট কাটলেই কাজ শুরু হবে।
তবে জমিদাতাদের অনেকেরই অভিযোগ, তাঁরা জমি দিলেও এখনও ক্ষতিপূরণ পাননি। এমনই একজন বলেন, বাইপাস রাস্তা তৈরির জন্য আমি তিন শতকের বেশি জমি ও দোতলা বিল্ডিং দিয়েছি। রেজিস্ট্রি হয়েছে। কিন্তু এখনও ক্ষতিপূরণ পাইনি। দুবরাজপুর পুরসভার চেয়ারম্যান পীযূষ পাণ্ডে বলেন, আমরা চাই, তাড়াতাড়ি এই বাইপাস রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হোক। শুনেছি, জমি নিয়ে কিছু সমস্যা আছে। আমরা জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে সবরকম সহযোগিতা করছি।  -নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ