Bartaman Logo
৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ফাঁকিবাজি রুখতে দাওয়াই পুর প্রশাসকের, দুই কর্মীর বেতন বন্ধ

কর্মসংস্কৃতি ফেরাতে ‘ফাঁকিবাজ’ কর্মীদের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন পুর প্রশাসক

ফাঁকিবাজি রুখতে দাওয়াই পুর প্রশাসকের, দুই কর্মীর বেতন বন্ধ
  • ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সন্দীপন দত্ত, কোচবিহার: কর্মসংস্কৃতি ফেরাতে ‘ফাঁকিবাজ’ কর্মীদের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন পুর প্রশাসক। ইতিমধ্যেই দুই পুরকর্মীর বেতন বন্ধ করে রাখা হয়েছে। প্রশাসকের স্পষ্ট বার্তা, ভবিষ্যতে এই রাস্তায় হাঁটলে আরও অনেকেরই বেতন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। 

Advertisement

কোচবিহার পুরসভার এক শীর্ষ কর্তা জানান, কিছু কিছু কর্মী যারা একেবারেই কাজ করছিলেন না, তাদের বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দু’জন কর্মীর বেতন বন্ধ করে দিয়েছেন কোচবিহার সদরের এসডিও গোবিন্দ নন্দী। তারা দু’জন পুরসভার চুক্তিভিত্তিক কর্মী। তাদের মধ্যে একজন অবশ্য বেতন বন্ধ করে দিতেই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। ওই দু’জন কর্মীদের মধ্যে একজন পুরসভার বাসস্ট্যান্ডে এবং অন্যজন পুরসভার স্কুলে কর্মরত ছিলেন। তাদের ফাঁকিবাজি বন্ধ করতে একাধিকবার জবাব তলব করা হয়েছিল। কিন্তু, তারা সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি বলেই পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে। এরপর ওই দুই চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু, তাতেও তাদের কাজে ফেরানো যাচ্ছিল না। এরপর তাদের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পুরসভা। 
এই বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনো মন্তব্য করতে নারাজ পুরসভার প্রশাসক তথা সদর মহকুমা শাসক। তবে পুরসভার অন্দরের খবর, ফাঁকিবাজি বন্ধ করতে কর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। প্রশাসক আরও বেশ কয়েকজন ফাঁকিবাজ পুরকর্মীকে ইতিম঩ধ্যে চিহ্নিত করেছেন বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে। 
অভিযোগ, পূর্বতন বোর্ডের সময় কয়েকজন প্রভাবশালী কাউন্সিলার একাংশ কর্মীকে নিজেদের ইচ্ছেমতো নিয়োগ করেছেন। যারা পুরসভা থেকে মাইনে নেন ঠিকই, কিন্তু এতদিন তারা সর্বক্ষণ কাউন্সিলারদের সঙ্গেই ঘুরে বেড়াতেন। তাদেরকেই চিহ্নিত করে তদন্ত শুরু করে পুরসভা। অক্টোবর মাস পর্যন্ত এই তদন্ত চলবে। সতর্ক করা এবং জবাব তলব করা হবে। তাতে যদি কাজ হয় তো ভালো, নইলে তাদেরও বেতন বন্ধ করে দেওয়া হবে। 
উল্লেখ্য, তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত বোর্ড ভেঙে যাওয়ার পর ২৭ জুলাই পুর প্রশাসকের দায়িত্ব নেন এসডিও। ওই দিনই তিনি কোচবিহার পুরসভায় কর্মসংস্কৃতি ফেরাতে কর্মীদের কড়া বার্তা দিয়েছিলেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ