Bartaman Logo
১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

নেদারল্যান্ডসকে ছিটকে দিল ‘ডার্ক হর্স’ মরক্কো

নেদারল্যান্ডসকে টাই-ব্রেকারে হারিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল মরক্কো। ফুটবল প্রেমীদের জন্য এই ম্যাচের গুরুত্ব বোঝা জরুরি। বিস্তারিত পড়ুন।

নেদারল্যান্ডসকে ছিটকে দিল ‘ডার্ক হর্স’ মরক্কো
  • ১ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নেদারল্যান্ডস-১            :     মরক্কো-১
(টাই-ব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জয়ী মরক্কো)

Advertisement

গুলিত, বাস্তেন, রাইকার্ড কিংবা আর্জেন রবেন, ফন পার্সি। ডাচ ফুটবল মানেই রাশি রাশি নস্টালজিয়া। চলতি বিশ্বকাপেও কোম্যান ব্রিগেডেকে নিয়ে স্বপ্নের জাল বুনেছিলেন সমর্থকরা। তবে প্রত্যাশার রঙিন ফানুসে মঙ্গলবার পিন ফুটিয়ে দিল মরক্কো। নির্ধারিত সময়ে ১-১। শেষপর্যন্ত টাই-ব্রেকারে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেদারল্যান্ডসের। চার বছর আগে কাতারেও আর্জেন্তিনার কাছে টাই-ব্রেকারে বশ মানে কমলা জার্সি। মোক্ষম সময়ে বারবার কেন মুখ থুবড়ে পড়ে ডাচ নৌবহর? ফুটবল গবেষকদের চর্চার বিষয় হওয়া উচিত। তবে মরক্কোকে সেলাম জানাতে হয়। অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন তারা। গত বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালিস্ট। আটলাস সিংহের গর্জন যে কোনো প্রতিপক্ষকে কাঁপিয়ে দিতে পারে। ‘ডার্ক হর্স’ মরক্কোই ছিটকে দিল নেদারল্যান্ডসকে।
টোটাল ফুটবলের জনক নেদারল্যান্ডস। গ্রুপের ৩ ম্যাচে ১০ বার প্রতিপক্ষের জাল কাঁপিয়েছিল গাকপোরা। স্বভাববিরুদ্ধভাবেই মরক্কোর বিরুদ্ধে ৫-২-৩ ফর্মেশনে হাঁটলেন কোচ কোম্যান। হয়তো প্রতিপক্ষকে মেপে নিতেই শুরুতে খোলসে ঢুকে রইল ওলন্দাজরা। ২০ মিনিটে নেইল আউনাওলের হেড গোলে ঢোকার মুখে সেভ করেন ডাচ গোলরক্ষক। ক্রমাগত প্রেস করে গেল বৌয়াদ্দি, ডিয়াজরা। দম ফেলার সুযোগ পাচ্ছিল না গাকপোরা। তবে হাইলাইন রক্ষণে বিপদ থাকেই। সামান্য ভুলচুকেই বিপদ ঘটতে পারে। নেদারল্যান্ডস বোধহয় এই সুযোগের অপেক্ষাতেই ছিল। ৭২ মিনিটে মরক্কো বক্সে ঢুকে পড়েছিল সামারভিল। তবে ডাচ মিডিও শরীরের ভারসাম্য রাখতে পারেনি। মাটিতে পড়ার আগে অনবদ্য রিফ্লেক্সে বল পাঠায় গাকপোর উদ্দেশে। জোরালো শটে জাল কাঁপাতে ভুল হয়নি গাকপোর (১-০)। কয়েকদিন আগে গর্ভাবস্থায় মৃত্যু হয় ওর সন্তানের। এদিন গোলের পর কেঁদে ফেলে ডাচ ফুটবলার। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন ম্যাচ ওখানেই শেষ। কিন্তু মরক্কো নাছোড়বান্দা। দীর্ঘকায় ডিফেন্ডার দিওপকে আপফ্রন্টে তুলে আনলেন মরক্কো কোচ। এই স্ট্র্যাটেজি মুহূর্তে ময়দানের স্মৃতি উসকে দিল।  সুব্রত ভট্টাচার্যকে বিপক্ষ বক্সে পাঠিয়ে বহুবার কাজ হাসিল করেছেন প্রদীপদা। যাই হোক, এক্ষেত্রে জায়গায় ছিল না ফন ডিক। নির্ধারিত সময় ১-১। টাই-ব্রেকারে দু’দলই স্পটকিক নষ্ট করল। তবে নায়ক অবশ্যই মরক্কো গোলরক্ষক বোনো। অন্যদিকে, ট্র্যাজিক হিরো হয়ে মাঠ ছাড়তে হল ডাচ গোলরক্ষক ভারব্রুগেনকে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ