Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

কিস্তিতে হলেও ডিএ দিতে হবে, সওয়াল রাজ্য কর্মীদের

একসঙ্গে না হলেও কিস্তিতে দেওয়া হোক। কিন্তু দিতে হবে। বুধবার মহার্ঘ্যভাতা (ডিএ) মামলায় এই মর্মে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করল রাজ্য সরকারি কর্মীদের সংগঠন।

কিস্তিতে হলেও  ডিএ দিতে হবে, সওয়াল রাজ্য কর্মীদের
  • ৭ আগস্ট, ২০২৫ ১৬:০৮
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: একসঙ্গে না হলেও কিস্তিতে দেওয়া হোক। কিন্তু দিতে হবে। বুধবার মহার্ঘ্যভাতা (ডিএ) মামলায় এই মর্মে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করল রাজ্য সরকারি কর্মীদের সংগঠন। তাদের আইনজীবী গোপাল সুব্রহ্মণ্য, পি এস পাটওয়ালিয়া, করুণা নন্দী, বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যরা অভিযোগের সুরে জানিয়ে দিলেন, রাজ্য সরকার বকেয়া ডিএ দিতেই চাইছে না। কেন্দ্রীয় হারেও ডিএ মেলে না। কিছু ক্ষেত্রে বৈষম্যও হয়। যেমন দিল্লির বঙ্গভবনে বা চেন্নাইয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হস্টেলে যারা কাজ করেন, তাঁরা কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পান। কিন্তু বাংলায় কাজ করা কর্মীরা তা পান না। বিবাদীর আ‌ইনজীবীদের প্রশ্ন, কেন্দ্রীয় হারে বা অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স না মেনে ডিএ তো নয়ই, এমনকী নিজস্ব কোনও নিয়মেও কেন তা দেওয়া হয় না? ১৩টি রাজ্য কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেয় না। তার মধ্যে কেরল নিজের মতো করে সূচক ফর্মুলা বের করে অর্থাৎ রাজ্যের নির্দিষ্ট মূল্যসূচক দেখে ডিএ দেয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তো তাও করে না। আর একথা শোনার পরেই এদিন রাজ্যকে সমালোচনার মুখে পড়তে হল সুপ্রিম কোর্টে। আজ বৃহস্পতিবারও শুনানি হবে। সরকারি কর্মীরা আদালতে যেসব অভিযোগ করেছেন, আজ তার জবাব দেবেন রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিবাল, অভিষেক মনু সিংভিরা। তবে এদিন বিবাদী রাজ্য সরকারি কর্মীদের আইনজীবী বক্তব্য শোনার পরই বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, তার মানে এটাই দাঁড়ায়, যখন ইচ্ছে যেভাবে ইচ্ছে ডিএ দেয় রাজ্য সরকার। এক জায়গার টাকা বাঁচিয়ে অন্যত্র কাজে লাগায়। পুরনো দিনের সুদখোরদের মতো আচরণ! 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ