Bartaman Logo
২৬ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হরিশ্চন্দ্রপুরের রশিদাবাদে নির্মাণের তিন সপ্তাহের মধ্যেই কালভার্টে ফাটল

কাজ শেষ হয়েছে তিন সপ্তাহ আগে। এখন চলছে মাটি ভরাটের কাজ। আর তার মধ্যেই কালভার্টে ফাটল ধরতে শুরু করছে। ঝুঁকে গিয়েছে দেওয়াল। এমনই অভিযোগ উঠেছে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুয়া-আজিমপুর গ্রামে।

হরিশ্চন্দ্রপুরের রশিদাবাদে নির্মাণের তিন সপ্তাহের মধ্যেই কালভার্টে ফাটল
  • ২৬ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: কাজ শেষ হয়েছে তিন সপ্তাহ আগে। এখন চলছে মাটি ভরাটের কাজ। আর তার মধ্যেই কালভার্টে ফাটল ধরতে শুরু করছে। ঝুঁকে গিয়েছে দেওয়াল। এমনই অভিযোগ উঠেছে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুয়া-আজিমপুর গ্রামে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজের জন্যই ফাটল দেখা দিয়েছে। এনিয়ে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে শুক্রবার বিক্ষোভে শামিল হলেন বাসিন্দারা। যদিও ঠিকাদার আব্দুল রউফের দাবি, সিডিউল মেনে কাজ হয়েছে। জেলা পরিষদের ইঞ্জিনিয়ার কাজ খতিয়ে দেখেছেন। কালভার্টে সামান্য ফাটল ধরেছে। সমস্যা হবে না। স্থানীয়রা মাটি ভরাটের কাজ আটকে দিয়েছে। 

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বহু বছর ধরে বিরুয়া-আজিমপুর রাস্তায় একটি খালের উপর কোনও কালভার্ট ছিল না। বর্ষাকালে ঘুরপথে মানুষকে যাতায়াত করতে হতো। বিভিন্ন জায়গায় নতুন কালভার্টের দাবি জানানোর পর সম্প্রতি জেলা পরিষদের পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের তহবিল থেকে ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে নতুন কালভার্ট। কালভার্ট তৈরির কাজ শেষ হওয়ার কয়েকদিন পরই নীচের অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। 
স্থানীয় বাসিন্দা তসিফুল হক বলেন, কাজের মান ভালো হয়নি। নিম্নমানের বালি, সিমেন্ট ও রড দিয়ে কাজ করা হয়েছে। সেজন্যই কালভার্টের দু’দিকে ফাটল দেখা দিয়েছে। 
এখনই যদি এরকম অবস্থা হয় তাহলে আগামীতে কী হবে? কালভার্ট ভেঙে গেলে সমস্যা তো আমাদেরই হবে। মালদহ জেলা পরিষদের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার একরামুল হক বলেন, এক জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। টেকনিক্যাল দিক থেকে ঠিকই আছে। কাজ ভালো হয়েছে। কোনও সমস্যা হবে না বলেই আশা করছি।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ